সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আবার বাড়লো তেলের দাম


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৮ এএম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আবার বাড়লো তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যবর্তী বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং দুদেশের শান্তি আলোচনা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে টানা চতুর্থ দিনের মতো তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) এশিয়ার বাজারে লেনদেনের শুরুতেই বিশ্বমানের ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বা ০.২৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১.২৮ ডলারে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৭ সেন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৮৫.৩১ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবারও তেলের মূল্যে বড় লাফ দেখা যায়, যা গত ২৪ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ দামে পৌঁছানোর রেকর্ড গড়েছিল।
​মূলত ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক সমাধান বা শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা দিন দিন ক্ষীণ হয়ে আসায় আন্তর্জাতিক তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বজায় থাকা নিয়ে দুদেশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও হুঙ্কার বাজারের অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে উভয় দেশের প্রতিটি পদক্ষেপ ও বক্তব্য সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করছেন এবং উদ্ভূত সামরিক বা রাজনৈতিক সংঘাতের দরুন তেলের বৈশ্বিক সরবরাহে বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় ঘটে কি না, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
​বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের একটি বিশাল অংশ সমুদ্রপথে পরিবহনের জন্য হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। ভৌগোলিকভাবে সংবেদনশীল এই সমুদ্রপথে নৌযান চলাচল সামান্য ব্যাহত হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে, যা স্বাভাবিকভাবেই দামকে আরও ওপরের দিকে ঠেলে দেবে।
এই কৌশলগত আশঙ্কার কারণেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যবর্তী প্রতিটি রাজনৈতিক ও সামরিক গতিবিধির প্রত্যক্ষ ও দ্রুত প্রভাব পড়ছে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আবার বাড়লো তেলের দাম

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যবর্তী বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং দুদেশের শান্তি আলোচনা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে টানা চতুর্থ দিনের মতো তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) এশিয়ার বাজারে লেনদেনের শুরুতেই বিশ্বমানের ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বা ০.২৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১.২৮ ডলারে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৭ সেন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৮৫.৩১ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবারও তেলের মূল্যে বড় লাফ দেখা যায়, যা গত ২৪ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ দামে পৌঁছানোর রেকর্ড গড়েছিল।
​মূলত ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক সমাধান বা শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা দিন দিন ক্ষীণ হয়ে আসায় আন্তর্জাতিক তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বজায় থাকা নিয়ে দুদেশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও হুঙ্কার বাজারের অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে উভয় দেশের প্রতিটি পদক্ষেপ ও বক্তব্য সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করছেন এবং উদ্ভূত সামরিক বা রাজনৈতিক সংঘাতের দরুন তেলের বৈশ্বিক সরবরাহে বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় ঘটে কি না, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
​বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের একটি বিশাল অংশ সমুদ্রপথে পরিবহনের জন্য হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। ভৌগোলিকভাবে সংবেদনশীল এই সমুদ্রপথে নৌযান চলাচল সামান্য ব্যাহত হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে, যা স্বাভাবিকভাবেই দামকে আরও ওপরের দিকে ঠেলে দেবে।
এই কৌশলগত আশঙ্কার কারণেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যবর্তী প্রতিটি রাজনৈতিক ও সামরিক গতিবিধির প্রত্যক্ষ ও দ্রুত প্রভাব পড়ছে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত