বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক জোরদারে নিজেদের ইচ্ছার কথা জানিয়েছে ভারত।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বর্তমান সহযোগিতা স্বাভাবিক গতিতেই চলছে।
বাংলাদেশে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমাদের এখানের সক্ষমতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রেখে বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।"
একই সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কোনো নতুন আপডেট নেই জানিয়ে মুখপাত্র আরও বলেন, "আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এ ব্যাপারে আপডেট বা নতুন কোনো তথ্য এলে আমরা নিশ্চিতভাবেই জানাবো।"
এদিকে সাবেক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় কূটনীতিক বিদ্যা ভূষণ সোনি সোমবার (১৭ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন যে, এই সফর দুই দেশের বহু অমীমাংসিত বিষয় সমাধানের বড় সুযোগ এনে দিতে পারে।
তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির আলোচনা প্রসঙ্গে সোনি বলেন, তিস্তা নিয়ে দুই দেশ অনেক বিষয়ে একমত হলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরে আর চূড়ান্ত হয়নি।
এর পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভারতের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "এক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই, কারণ মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে।"
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে নিজের মূল্যায়ন জানান প্রাক্তন এই কূটনীতিক। তারেক রহমানকে তুলনামূলকভাবে খোলামেলা অভিহিত করে সোনি দাবি করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ভারতবিরোধী কোনো বক্তব্য দেননি এবং নয়াদিল্লিও এই সম্ভাবনাকে একটি ইতিবাচক সুযোগ হিসেবে দেখছে।
দুই দেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে সরাসরি আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তের সুযোগটি হাতছাড়া হলে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে যোগাযোগের পথ দীর্ঘ সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে, তাই উভয় পক্ষেরই উচিত এই সুযোগটি কাজে লাগানো।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক জোরদারে নিজেদের ইচ্ছার কথা জানিয়েছে ভারত।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বর্তমান সহযোগিতা স্বাভাবিক গতিতেই চলছে।
বাংলাদেশে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমাদের এখানের সক্ষমতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রেখে বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।"
একই সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কোনো নতুন আপডেট নেই জানিয়ে মুখপাত্র আরও বলেন, "আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এ ব্যাপারে আপডেট বা নতুন কোনো তথ্য এলে আমরা নিশ্চিতভাবেই জানাবো।"
এদিকে সাবেক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় কূটনীতিক বিদ্যা ভূষণ সোনি সোমবার (১৭ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন যে, এই সফর দুই দেশের বহু অমীমাংসিত বিষয় সমাধানের বড় সুযোগ এনে দিতে পারে।
তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির আলোচনা প্রসঙ্গে সোনি বলেন, তিস্তা নিয়ে দুই দেশ অনেক বিষয়ে একমত হলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরে আর চূড়ান্ত হয়নি।
এর পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভারতের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "এক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই, কারণ মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে।"
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে নিজের মূল্যায়ন জানান প্রাক্তন এই কূটনীতিক। তারেক রহমানকে তুলনামূলকভাবে খোলামেলা অভিহিত করে সোনি দাবি করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ভারতবিরোধী কোনো বক্তব্য দেননি এবং নয়াদিল্লিও এই সম্ভাবনাকে একটি ইতিবাচক সুযোগ হিসেবে দেখছে।
দুই দেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে সরাসরি আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তের সুযোগটি হাতছাড়া হলে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে যোগাযোগের পথ দীর্ঘ সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে, তাই উভয় পক্ষেরই উচিত এই সুযোগটি কাজে লাগানো।

আপনার মতামত লিখুন