এক বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে কেরানীগঞ্জ বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি কারামুক্ত হন।
বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাঃ তায়েফ উদ্দিন মিয়া তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর বনানী থানায় করা একটি মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখে আপিল বিভাগ।
তবে আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি আপাতত দেশের বাইরে যেতে পারবেন না বলে শর্ত দেওয়া হয়েছে।
খায়রুল হকের আইনজীবীদের তথ্য মতে, তার বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে ৯টি মামলা ছিল। সবকটি মামলাতেই তিনি জামিন পেয়েছেন। সর্বশেষ গত ১৭ আগস্ট বনানী থানার মামলায় জামিন বহাল থাকায় তার কারামুক্তিতে আইনগত আর কোনো বাধা ছিল না।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী (তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা) বাতিল করে রায় দিয়েছিল।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছিল।
বারবার নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১৩ মে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন খায়রুল হকের ছেলে আইনজীবী আশিক উল হক। ওই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাকে গ্রেপ্তার না করতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে বনানী থানার মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন আপিল বিভাগে বহাল থাকায় আজ তার মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
এক বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে কেরানীগঞ্জ বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি কারামুক্ত হন।
বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাঃ তায়েফ উদ্দিন মিয়া তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর বনানী থানায় করা একটি মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখে আপিল বিভাগ।
তবে আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি আপাতত দেশের বাইরে যেতে পারবেন না বলে শর্ত দেওয়া হয়েছে।
খায়রুল হকের আইনজীবীদের তথ্য মতে, তার বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে ৯টি মামলা ছিল। সবকটি মামলাতেই তিনি জামিন পেয়েছেন। সর্বশেষ গত ১৭ আগস্ট বনানী থানার মামলায় জামিন বহাল থাকায় তার কারামুক্তিতে আইনগত আর কোনো বাধা ছিল না।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী (তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা) বাতিল করে রায় দিয়েছিল।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছিল।
বারবার নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১৩ মে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন খায়রুল হকের ছেলে আইনজীবী আশিক উল হক। ওই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাকে গ্রেপ্তার না করতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে বনানী থানার মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন আপিল বিভাগে বহাল থাকায় আজ তার মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

আপনার মতামত লিখুন