সংবাদ

সুন্দরগঞ্জে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ে ৪ মাসেও মেলেনি বরাদ্দ


আব্দুল মতিন সরকার, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
আব্দুল মতিন সরকার, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৯ এএম

সুন্দরগঞ্জে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ে ৪ মাসেও মেলেনি বরাদ্দ
ছবি : সংবাদ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হওয়া সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চার মাসেও সরকারি বরাদ্দ পৌঁছায়নি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে দ্রুত মেরামতের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে শিক্ষক ও কর্মচারীরা দীর্ঘ চার মাস ধরে শ্রেণিকক্ষে বসে দাপ্তরিক কাজ সারছেন।

জানা গেছে, গত ১৭ মে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভাসহ ছয়টি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি বিশাল বটগাছ উপড়ে পড়ে। এতে প্রধান শিক্ষক, করণিক ও শিক্ষকদের মিলনায়তনসহ তিনটি কক্ষ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ঘটনার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মাজেদুর রহমান ও তৎকালীন ইউএনও ইফফাত জাহান তুলি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি বরাদ্দের আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে চার মাস পার হলেও সেই বরাদ্দ মেলেনি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে. জে. এম. হাবিবা বেগম বলেন, ‘ঝড়ে উপড়ে পড়া বটগাছটি নিলামে ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এই সামান্য টাকা দিয়ে অফিস কক্ষ মেরামত করা সম্ভব নয়। এখন পর্যন্ত গাছটির গোড়া পর্যন্ত সরানো যায়নি। অত্যন্ত কষ্ট করে শ্রেণিকক্ষে বসে দাপ্তরিক কাজ করতে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। উপজেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সাহায্য করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মাজেদুর রহমান বলেন, তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার সাপেক্ষে তা বিতরণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


সুন্দরগঞ্জে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ে ৪ মাসেও মেলেনি বরাদ্দ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হওয়া সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চার মাসেও সরকারি বরাদ্দ পৌঁছায়নি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে দ্রুত মেরামতের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে শিক্ষক ও কর্মচারীরা দীর্ঘ চার মাস ধরে শ্রেণিকক্ষে বসে দাপ্তরিক কাজ সারছেন।

জানা গেছে, গত ১৭ মে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভাসহ ছয়টি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি বিশাল বটগাছ উপড়ে পড়ে। এতে প্রধান শিক্ষক, করণিক ও শিক্ষকদের মিলনায়তনসহ তিনটি কক্ষ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ঘটনার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মাজেদুর রহমান ও তৎকালীন ইউএনও ইফফাত জাহান তুলি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি বরাদ্দের আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে চার মাস পার হলেও সেই বরাদ্দ মেলেনি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে. জে. এম. হাবিবা বেগম বলেন, ‘ঝড়ে উপড়ে পড়া বটগাছটি নিলামে ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এই সামান্য টাকা দিয়ে অফিস কক্ষ মেরামত করা সম্ভব নয়। এখন পর্যন্ত গাছটির গোড়া পর্যন্ত সরানো যায়নি। অত্যন্ত কষ্ট করে শ্রেণিকক্ষে বসে দাপ্তরিক কাজ করতে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। উপজেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সাহায্য করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মাজেদুর রহমান বলেন, তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার সাপেক্ষে তা বিতরণ করা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত