ওডিশা উপকূল থেকে প্রায় ২৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরে পানামার পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে গেছে। ‘এমভি ওশান উইনার’ নামের এই জাহাজটিতে একজন বাংলাদেশিসহ মোট ২৪ জন নাবিক ছিলেন। শনিবারের (২২ আগস্ট) এই দুর্ঘটনার পর এখন পর্যন্ত দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজ বাকি ২২ নাবিককে উদ্ধারে ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী যৌথ অভিযান চালাচ্ছে।
ভারতীয় কোস্টগার্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, জাহাজটি বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ওডিশার পারাদ্বীপ বন্দর থেকে ৭২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন লৌহ আকরিক নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। শনিবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটের দিকে শ্রী বিজয়পুরমের (পোর্ট ব্লেয়ার) মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের সঙ্গে জাহাজটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
জাহাজটিতে থাকা নাবিকদের মধ্যে ২০ জন চীনের, ৩ জন মিয়ানমারের এবং ১ জন বাংলাদেশের নাগরিক। জাহাজটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘ভিক্টরি স্টার গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড’ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি জানানোর পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা ‘এমটি আইসোপোস’ নামের একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে উদ্ধার কাজে লাগানো হয়। তারা রাত আটটার দিকে একটি লাইফ র্যাফট থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে। তবে উদ্ধারকৃতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
নিখোঁজদের সন্ধানে ভারতীয় কোস্টগার্ডের ‘বরদ’, ‘অনমোল’ ও ‘বিজিত’ নামের তিনটি জাহাজ উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও নৌবাহিনীর হেলিকপ্টার ও জাহাজগুলো তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
পারাদ্বীপ বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন অলেখ চরণ নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, বঙ্গোপসাগরের ওই এলাকায় থাকা অন্য জাহাজগুলোকেও নজর রাখতে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে জাহাজটি গভীর সমুদ্রে ডুবে গেল, তা এখনও জানা যায়নি। নিখোঁজ বাংলাদেশি নাবিকের পরিবারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
ওডিশা উপকূল থেকে প্রায় ২৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরে পানামার পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে গেছে। ‘এমভি ওশান উইনার’ নামের এই জাহাজটিতে একজন বাংলাদেশিসহ মোট ২৪ জন নাবিক ছিলেন। শনিবারের (২২ আগস্ট) এই দুর্ঘটনার পর এখন পর্যন্ত দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজ বাকি ২২ নাবিককে উদ্ধারে ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী যৌথ অভিযান চালাচ্ছে।
ভারতীয় কোস্টগার্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, জাহাজটি বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ওডিশার পারাদ্বীপ বন্দর থেকে ৭২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন লৌহ আকরিক নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। শনিবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটের দিকে শ্রী বিজয়পুরমের (পোর্ট ব্লেয়ার) মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের সঙ্গে জাহাজটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
জাহাজটিতে থাকা নাবিকদের মধ্যে ২০ জন চীনের, ৩ জন মিয়ানমারের এবং ১ জন বাংলাদেশের নাগরিক। জাহাজটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘ভিক্টরি স্টার গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড’ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি জানানোর পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা ‘এমটি আইসোপোস’ নামের একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে উদ্ধার কাজে লাগানো হয়। তারা রাত আটটার দিকে একটি লাইফ র্যাফট থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে। তবে উদ্ধারকৃতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
নিখোঁজদের সন্ধানে ভারতীয় কোস্টগার্ডের ‘বরদ’, ‘অনমোল’ ও ‘বিজিত’ নামের তিনটি জাহাজ উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও নৌবাহিনীর হেলিকপ্টার ও জাহাজগুলো তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
পারাদ্বীপ বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন অলেখ চরণ নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, বঙ্গোপসাগরের ওই এলাকায় থাকা অন্য জাহাজগুলোকেও নজর রাখতে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে জাহাজটি গভীর সমুদ্রে ডুবে গেল, তা এখনও জানা যায়নি। নিখোঁজ বাংলাদেশি নাবিকের পরিবারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন