চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা চত্বরের মতো নিরাপদ জায়গা থেকেও কৃষকদের প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে কৃষকরা সার নিতে এসে চুরির কথা জানতে পারেন। এ নিয়ে উপজেলা চত্বরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ভুক্তভোগী কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সকালে তাদের ডেকে এনে মাস্টাররোলে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। কিন্তু সই দেওয়ার পরই জানানো হয়, সার চুরি হয়ে গেছে, তাই সার দেওয়া সম্ভব নয়। এ কথা শুনে কৃষকরা সেখানেই প্রতিবাদ শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তারা রোববার বিকেল ৪টার মধ্যেই সার দেওয়ার আলটিমেটাম দেন।
জানা গেছে, বিএডিসি গোডাউন থেকে কৃষকদের প্রণোদনার জন্য বিপুল পরিমাণ সার এনে সদর উপজেলা চত্বরে খোলা জায়গায় রাখা হয়েছিল। সেখান থেকেই ৫৪ বস্তা সার উধাও হয়ে গেছে। শুধু চুরিই নয়, বাকি সারগুলোও অরক্ষিত অবস্থায় রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সার নিতে আসা একজন কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের দিয়ে কাগজে সই করিয়ে নেওয়ার পর একজন অফিসার বললেন সার চুরি হয়ে গেছে। সোমবার আসতে হবে। সরকারি অফিসের ভেতর থেকে এত সার কীভাবে চুরি হয়? আমরা এখনই সার চাই।’
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান সার চুরির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘৫৪ বস্তা সার চুরির ঘটনা ঘটেছে। কৃষকদের যেন সার না নিয়ে ফিরতে হয়, সে জন্য ব্যক্তিগতভাবে সার কিনে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি চলছে।’
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র জানান, তিনি একটি সভায় থাকায় বিস্তারিত পরে জানবেন। তবে কৃষি কর্মকর্তা তাকে বিষয়টি ফোনে জানিয়েছেন এবং তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে জিডি করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সরকারি চত্বর থেকে কীভাবে এমন চুরির ঘটনা ঘটল এবং কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে জেলাজুড়ে তোলপাড় চলছে। কৃষকদের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা চত্বরের মতো নিরাপদ জায়গা থেকেও কৃষকদের প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে কৃষকরা সার নিতে এসে চুরির কথা জানতে পারেন। এ নিয়ে উপজেলা চত্বরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ভুক্তভোগী কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সকালে তাদের ডেকে এনে মাস্টাররোলে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। কিন্তু সই দেওয়ার পরই জানানো হয়, সার চুরি হয়ে গেছে, তাই সার দেওয়া সম্ভব নয়। এ কথা শুনে কৃষকরা সেখানেই প্রতিবাদ শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তারা রোববার বিকেল ৪টার মধ্যেই সার দেওয়ার আলটিমেটাম দেন।
জানা গেছে, বিএডিসি গোডাউন থেকে কৃষকদের প্রণোদনার জন্য বিপুল পরিমাণ সার এনে সদর উপজেলা চত্বরে খোলা জায়গায় রাখা হয়েছিল। সেখান থেকেই ৫৪ বস্তা সার উধাও হয়ে গেছে। শুধু চুরিই নয়, বাকি সারগুলোও অরক্ষিত অবস্থায় রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সার নিতে আসা একজন কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের দিয়ে কাগজে সই করিয়ে নেওয়ার পর একজন অফিসার বললেন সার চুরি হয়ে গেছে। সোমবার আসতে হবে। সরকারি অফিসের ভেতর থেকে এত সার কীভাবে চুরি হয়? আমরা এখনই সার চাই।’
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান সার চুরির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘৫৪ বস্তা সার চুরির ঘটনা ঘটেছে। কৃষকদের যেন সার না নিয়ে ফিরতে হয়, সে জন্য ব্যক্তিগতভাবে সার কিনে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি চলছে।’
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র জানান, তিনি একটি সভায় থাকায় বিস্তারিত পরে জানবেন। তবে কৃষি কর্মকর্তা তাকে বিষয়টি ফোনে জানিয়েছেন এবং তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে জিডি করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সরকারি চত্বর থেকে কীভাবে এমন চুরির ঘটনা ঘটল এবং কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে জেলাজুড়ে তোলপাড় চলছে। কৃষকদের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক।

আপনার মতামত লিখুন