হাসপাতালে সরকারি স্যালাইন মজুত ছিল। অথচ সেই স্যালাইন রোগীকে না দিয়ে উল্টো বাইরে থেকে কিনে আনার নির্দেশ দিয়েছিলেন ওয়ার্ড ইনচার্জ। খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে বেরিয়ে এল এমন অনিয়ম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সিনিয়র স্টাফ নার্সকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী রোগীর বাইরে থেকে কেনা স্যালাইনের টাকা নিজের পকেট থেকে ফেরত দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
রোববার (২৩ আগস্ট) নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত নার্সের নাম মাসুদা আক্তার। তিনি হাসপাতালটির নারী মেডিসিন ওয়ার্ডের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। আজ সোমবার দুপুরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোববার হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। তিনি নারী মেডিসিন ওয়ার্ডের ১১৩ নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন তারিন নামের এক রোগীর খোঁজখবর নিতে গেলে অভিযোগের পাহাড় জমে। রোগী ও তার স্বজনেরা সরাসরি মন্ত্রীকে জানান, হাসপাতালে স্যালাইন থাকার পরও নার্স মাসুদা আক্তার তাদের সেটি দেননি। বাধ্য হয়ে তাদের বাইরে থেকে চড়া দামে স্যালাইন কিনতে হয়েছে।
অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি নিজের পকেট থেকে টাকা বের করে রোগীর পরিবারকে সেই খরচ ফেরত দেন এবং অভিযুক্ত নার্সের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ সকালে মাসুদাকে শোকজ করা হয়।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘সরকারি দায়িত্বে অবহেলা ও চাকরিবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না–তা আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।’

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
হাসপাতালে সরকারি স্যালাইন মজুত ছিল। অথচ সেই স্যালাইন রোগীকে না দিয়ে উল্টো বাইরে থেকে কিনে আনার নির্দেশ দিয়েছিলেন ওয়ার্ড ইনচার্জ। খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে বেরিয়ে এল এমন অনিয়ম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সিনিয়র স্টাফ নার্সকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী রোগীর বাইরে থেকে কেনা স্যালাইনের টাকা নিজের পকেট থেকে ফেরত দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
রোববার (২৩ আগস্ট) নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত নার্সের নাম মাসুদা আক্তার। তিনি হাসপাতালটির নারী মেডিসিন ওয়ার্ডের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। আজ সোমবার দুপুরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোববার হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। তিনি নারী মেডিসিন ওয়ার্ডের ১১৩ নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন তারিন নামের এক রোগীর খোঁজখবর নিতে গেলে অভিযোগের পাহাড় জমে। রোগী ও তার স্বজনেরা সরাসরি মন্ত্রীকে জানান, হাসপাতালে স্যালাইন থাকার পরও নার্স মাসুদা আক্তার তাদের সেটি দেননি। বাধ্য হয়ে তাদের বাইরে থেকে চড়া দামে স্যালাইন কিনতে হয়েছে।
অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি নিজের পকেট থেকে টাকা বের করে রোগীর পরিবারকে সেই খরচ ফেরত দেন এবং অভিযুক্ত নার্সের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ সকালে মাসুদাকে শোকজ করা হয়।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘সরকারি দায়িত্বে অবহেলা ও চাকরিবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না–তা আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন