গণতন্ত্রে মতভেদ ও গঠনমূলক সমালোচনা থাকবে, কিন্তু রাজনৈতিক ঐক্য কোনোভাবেই ভাঙা যাবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
বর্তমান
সরকারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি
স্পষ্ট জানিয়েছেন, ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই
এবং এই সরকারের পথচলা
কোনো কারণে বাধাগ্রস্ত হলে দেশের অস্তিত্ব
সংকটে পড়বে।
সোমবার
দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম
মিলনায়তনে জনতার অধিকার পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
বর্তমান
সরকারের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দুদু
বলেন, "১৮ বছরের দীর্ঘ
লড়াই ও চেষ্টার ফসল
হচ্ছে এই গণতান্ত্রিক সরকার।
এই সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশের একজন গণহত্যাকারী ও
লুটপাটকারী নেত্রী নানা উসকানি দিচ্ছেন।
তিনি বিপুল অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে
দেশে অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরির
চেষ্টা চালাচ্ছেন।"
সরকারের
গত ছয় মাসের কার্যক্রমের
মূল্যায়ন করে বিএনপির এই
শীর্ষ নেতা বলেন, "এই
ছয় মাসে বাংলাদেশের মানুষ
অনেক কিছু পেয়েছে এবং
সামনের দিনগুলোতে আরও অনেক ইতিবাচক
অর্জন আসবে। কৃষকদের উন্নয়নে বিএনপির পক্ষ থেকে তারেক
রহমান প্রস্তাব তুলে ধরেছিলেন, ইতোমধ্যে
কৃষক ও ফ্যামিলি কার্ড
প্রদানসহ একাধিক সামাজিক ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ
বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।"
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষায় কঠোর অবস্থানের কথা
উল্লেখ করে দুদু বলেন,
"আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে
রয়েছে। দেশে কোনো ধরনের
সন্ত্রাস বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড
প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।"
দ্রব্যমূল্য
পরিস্থিতি নিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে
বলেন, "একটি মহল বাজার
অস্থির করার চক্রান্ত করছে।
সরকার বিষয়টি সম্পর্কে সতর্ক রয়েছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে
কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"
শেখ
হাসিনাকে উদ্দেশ্যে করে দুদু বলেন,
"অতীতে অনেক অপকর্ম করেছেন,
এখন অন্তত গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করে অতীতের
দুষ্কর্মের কিছু স্খলন ঘটান।
নিজের ভুল শুধরে না
নিলে আগামীতে আপনারা ও আপনাদের দল
কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন।"
তিনি
আরও স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপি ও
জনতার অধিকার পার্টির অগণিত নেতাকর্মী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন করতে গিয়ে নির্যাতনের
শিকার হয়েছেন। তাই প্রাপ্ত এই
গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে
বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান এবং দেশ বাঁচাও
মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল
ইসলাম রিপনসহ রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
গণতন্ত্রে মতভেদ ও গঠনমূলক সমালোচনা থাকবে, কিন্তু রাজনৈতিক ঐক্য কোনোভাবেই ভাঙা যাবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
বর্তমান
সরকারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি
স্পষ্ট জানিয়েছেন, ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই
এবং এই সরকারের পথচলা
কোনো কারণে বাধাগ্রস্ত হলে দেশের অস্তিত্ব
সংকটে পড়বে।
সোমবার
দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম
মিলনায়তনে জনতার অধিকার পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
বর্তমান
সরকারের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দুদু
বলেন, "১৮ বছরের দীর্ঘ
লড়াই ও চেষ্টার ফসল
হচ্ছে এই গণতান্ত্রিক সরকার।
এই সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশের একজন গণহত্যাকারী ও
লুটপাটকারী নেত্রী নানা উসকানি দিচ্ছেন।
তিনি বিপুল অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে
দেশে অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরির
চেষ্টা চালাচ্ছেন।"
সরকারের
গত ছয় মাসের কার্যক্রমের
মূল্যায়ন করে বিএনপির এই
শীর্ষ নেতা বলেন, "এই
ছয় মাসে বাংলাদেশের মানুষ
অনেক কিছু পেয়েছে এবং
সামনের দিনগুলোতে আরও অনেক ইতিবাচক
অর্জন আসবে। কৃষকদের উন্নয়নে বিএনপির পক্ষ থেকে তারেক
রহমান প্রস্তাব তুলে ধরেছিলেন, ইতোমধ্যে
কৃষক ও ফ্যামিলি কার্ড
প্রদানসহ একাধিক সামাজিক ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ
বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।"
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষায় কঠোর অবস্থানের কথা
উল্লেখ করে দুদু বলেন,
"আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে
রয়েছে। দেশে কোনো ধরনের
সন্ত্রাস বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড
প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।"
দ্রব্যমূল্য
পরিস্থিতি নিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে
বলেন, "একটি মহল বাজার
অস্থির করার চক্রান্ত করছে।
সরকার বিষয়টি সম্পর্কে সতর্ক রয়েছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে
কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"
শেখ
হাসিনাকে উদ্দেশ্যে করে দুদু বলেন,
"অতীতে অনেক অপকর্ম করেছেন,
এখন অন্তত গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করে অতীতের
দুষ্কর্মের কিছু স্খলন ঘটান।
নিজের ভুল শুধরে না
নিলে আগামীতে আপনারা ও আপনাদের দল
কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন।"
তিনি
আরও স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপি ও
জনতার অধিকার পার্টির অগণিত নেতাকর্মী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন করতে গিয়ে নির্যাতনের
শিকার হয়েছেন। তাই প্রাপ্ত এই
গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে
বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান এবং দেশ বাঁচাও
মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল
ইসলাম রিপনসহ রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন