বাগেরহাটের ফকিরহাটে পাঁচ বছরের শিশু সাজ্জাদ হোসেনকে গলা টিপে হত্যার দায়ে মোসা. রিকু বেগম (৬০) নামের এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক ফয়জুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত রিকু বেগম ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের বাবর আলী শেখের স্ত্রী। তবে রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। মামলা চলাকালে জামিন পাওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের মাসুদ শেখের পাঁচ বছরের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন নিখোঁজ হয়। পরদিন ১১ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় শামীম নামের এক ব্যক্তির ঘেরের পাশে কচুরিপানার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১২ ফেব্রুয়ারি নিহত শিশুর বাবা মাসুদ শেখ বাদী হয়ে রিকু বেগমকে একমাত্র আসামি করে ফকিরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, রিকু বেগম শিশুটিকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। পুলিশ তদন্ত শেষে রিকু বেগমকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আলতাফ হোসেন মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আদালতে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।’

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
বাগেরহাটের ফকিরহাটে পাঁচ বছরের শিশু সাজ্জাদ হোসেনকে গলা টিপে হত্যার দায়ে মোসা. রিকু বেগম (৬০) নামের এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক ফয়জুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত রিকু বেগম ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের বাবর আলী শেখের স্ত্রী। তবে রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। মামলা চলাকালে জামিন পাওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের মাসুদ শেখের পাঁচ বছরের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন নিখোঁজ হয়। পরদিন ১১ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় শামীম নামের এক ব্যক্তির ঘেরের পাশে কচুরিপানার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১২ ফেব্রুয়ারি নিহত শিশুর বাবা মাসুদ শেখ বাদী হয়ে রিকু বেগমকে একমাত্র আসামি করে ফকিরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, রিকু বেগম শিশুটিকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। পুলিশ তদন্ত শেষে রিকু বেগমকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আলতাফ হোসেন মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আদালতে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।’

আপনার মতামত লিখুন