সিমেন্টের কাঁচামাল কেনার নামে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের গুরুতর অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রীসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, "ইসলামী
ব্যাংক পিএলসির চট্টগ্রামের জুবিলি রোড শাখা থেকে
সাবেক ভূমিমন্ত্রীর প্রতিষ্ঠান আরামিট সিমেন্ট পিএলসির নামে সিমেন্টের কাঁচামাল
কেনার জন্য অর্থ নেওয়া
হয়েছিল।
দুদকের
অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোনো
প্রকৃত কেনাবেচা না করেই ভুয়া
বিল-ভাউচার ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে
এই ১৪১ কোটি ২০
লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ
ও বিদেশে পাচার করা হয়েছে।"
দুদক
কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন,
ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর
সাইফুজ্জামানের বিরুদ্ধে একের পর এক
দুর্নীতি তদন্তে নেমেছে কমিশন।
প্রাথমিক
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আরামিট
গ্রুপের কর্মচারীকে ভুয়া ব্যবসায়ী দেখিয়ে
ভুয়া ডিল অনুমোদন করানো
হতো। এরপর ব্যাংক থেকে
তোলা অর্থ বিভিন্ন হিসাবে
হস্তান্তর ও রূপান্তর করে
সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য
ও যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা হয়, যার
শেষ সুবিধাভোগী বা মূল হোতা
ছিলেন খোদ সাইফুজ্জামান চৌধুরী।
তদন্ত
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কমিশনের
অনুমোদিত তিন মামলার মধ্যে
দুটিতে ১৬ জন করে
এবং অপরটিতে ২০ জনকে আসামি
করা হয়েছে। সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ছাড়াও মামলার অন্যতম আসামি তার স্ত্রী ও
আরামিট সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুকমীলা জামান, আরামিট সিমেন্টের সিএফও মোহাম্মদ শাহ আলম এবং
ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল আজীজ।
এ ছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহারের
এই জালিয়াতিতে সরাসরি সহযোগিতার অভিযোগে ইসলামী ব্যাংক, ইউসিবি ও ফার্স্ট সিকিউরিটি
ইসলামী ব্যাংকের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আসামিদের
বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং
প্রতিরোধ আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াকরণ চলছে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
সিমেন্টের কাঁচামাল কেনার নামে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের গুরুতর অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রীসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, "ইসলামী
ব্যাংক পিএলসির চট্টগ্রামের জুবিলি রোড শাখা থেকে
সাবেক ভূমিমন্ত্রীর প্রতিষ্ঠান আরামিট সিমেন্ট পিএলসির নামে সিমেন্টের কাঁচামাল
কেনার জন্য অর্থ নেওয়া
হয়েছিল।
দুদকের
অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোনো
প্রকৃত কেনাবেচা না করেই ভুয়া
বিল-ভাউচার ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে
এই ১৪১ কোটি ২০
লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ
ও বিদেশে পাচার করা হয়েছে।"
দুদক
কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন,
ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর
সাইফুজ্জামানের বিরুদ্ধে একের পর এক
দুর্নীতি তদন্তে নেমেছে কমিশন।
প্রাথমিক
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আরামিট
গ্রুপের কর্মচারীকে ভুয়া ব্যবসায়ী দেখিয়ে
ভুয়া ডিল অনুমোদন করানো
হতো। এরপর ব্যাংক থেকে
তোলা অর্থ বিভিন্ন হিসাবে
হস্তান্তর ও রূপান্তর করে
সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য
ও যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা হয়, যার
শেষ সুবিধাভোগী বা মূল হোতা
ছিলেন খোদ সাইফুজ্জামান চৌধুরী।
তদন্ত
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কমিশনের
অনুমোদিত তিন মামলার মধ্যে
দুটিতে ১৬ জন করে
এবং অপরটিতে ২০ জনকে আসামি
করা হয়েছে। সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ছাড়াও মামলার অন্যতম আসামি তার স্ত্রী ও
আরামিট সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুকমীলা জামান, আরামিট সিমেন্টের সিএফও মোহাম্মদ শাহ আলম এবং
ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল আজীজ।
এ ছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহারের
এই জালিয়াতিতে সরাসরি সহযোগিতার অভিযোগে ইসলামী ব্যাংক, ইউসিবি ও ফার্স্ট সিকিউরিটি
ইসলামী ব্যাংকের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আসামিদের
বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং
প্রতিরোধ আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াকরণ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন