ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ কুশ, বিদেশি মদ ও ভারতীয় শাড়ি উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই ভারতীয় নাগরিককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কারাগারে পাঠানো অভিযুক্ত আসামিরা হলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটির বাসিন্দা সানাওয়ার আলী (৩৬) এবং ইমতিয়াজ আহমেদ (৩৬)। এর আগে আসামিদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিন।
তদন্ত কর্মকর্তা তার আবেদনে উল্লেখ করেন, দুই আসামিই ভিনদেশি বা ভারতীয় নাগরিক। তারা জামিনে মুক্তি পেলে খুব সহজেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন, যার ফলে মামলার চলমান তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য তাদের জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে গত সোমবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিচতলার আগমনী হলের গ্রিন চ্যানেল এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে ৫ কেজি ৪০ গ্রাম কুশ, তিন লিটার বিদেশি মদ এবং ২৪টি দামি ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তাদের দখল থেকে ভারতীয় পাসপোর্ট, ৪০০ মার্কিন ডলার, থাই বাথ, ভারতীয় রুপি, চারটি মোবাইল ফোন এবং দুটি বোর্ডিং কার্ড জব্দ করা হয়।
এই ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ (১) সারনির ১৪(খ) ও ২৪ (ক) ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, চোরাচালানের এই চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ কুশ, বিদেশি মদ ও ভারতীয় শাড়ি উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই ভারতীয় নাগরিককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কারাগারে পাঠানো অভিযুক্ত আসামিরা হলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটির বাসিন্দা সানাওয়ার আলী (৩৬) এবং ইমতিয়াজ আহমেদ (৩৬)। এর আগে আসামিদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিন।
তদন্ত কর্মকর্তা তার আবেদনে উল্লেখ করেন, দুই আসামিই ভিনদেশি বা ভারতীয় নাগরিক। তারা জামিনে মুক্তি পেলে খুব সহজেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন, যার ফলে মামলার চলমান তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য তাদের জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে গত সোমবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিচতলার আগমনী হলের গ্রিন চ্যানেল এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে ৫ কেজি ৪০ গ্রাম কুশ, তিন লিটার বিদেশি মদ এবং ২৪টি দামি ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তাদের দখল থেকে ভারতীয় পাসপোর্ট, ৪০০ মার্কিন ডলার, থাই বাথ, ভারতীয় রুপি, চারটি মোবাইল ফোন এবং দুটি বোর্ডিং কার্ড জব্দ করা হয়।
এই ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ (১) সারনির ১৪(খ) ও ২৪ (ক) ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, চোরাচালানের এই চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন