সংবাদ

ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিলেই পরমাণু প্রযুক্তি পাবে সৌদি: ট্রাম্প


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৭ এএম

ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিলেই পরমাণু প্রযুক্তি পাবে সৌদি: ট্রাম্প
ছবি : রয়টার্স

সৌদি আরবের কাছে বেসামরিক পারমাণবিক প্রযুক্তি হস্তান্তরের একটি প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসে পাঠিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই চুক্তি কার্যকর করার ক্ষেত্রে একটি বড় শর্ত জুড়ে দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, সৌদি আরব যদি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে এবং ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এ যোগ দেয়, তবেই কেবল এই পারমাণবিক সহায়তা পাবে রিয়াদ।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুলাই মাসে হওয়া এই চুক্তির আওতায় মার্কিন কোম্পানিগুলো সৌদি আরবে বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও রিয়্যাক্টর নির্মাণ করতে পারবে। এর মধ্যে ওয়েস্টিংহাউস ইলেকট্রিক কোম্পানির কয়েক বিলিয়ন ডলারের প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সোমবার হোয়াইট হাউস থেকে এই প্রস্তাবটি কংগ্রেসের পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান স্পষ্ট–ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলে রিয়াদের সঙ্গে এই পারমাণবিক চুক্তি এগোবে না। এর আগে জো বাইডেন প্রশাসনও একই ধরনের চেষ্টা চালিয়েছিল। তবে রিয়াদ বরাবরই বলে আসছে, একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া তারা ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না।

কংগ্রেসের কাছে এই চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য ৯০ দিন সময় রয়েছে। যদি কংগ্রেস এতে কোনো আপত্তি না জানায়, তবে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে। তবে অনেক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা এই চুক্তির সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, চুক্তিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা পারমাণবিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা নেই, যা ভবিষ্যতে সৌদিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ করে দিতে পারে।

২০২০ ও ২০২১ সালে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও সুদান ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছিল। এখন সৌদি আরবকেও সেই তালিকায় আনতে মরিয়া ওয়াশিংটন। তবে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যের এই ভূ-রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিলেই পরমাণু প্রযুক্তি পাবে সৌদি: ট্রাম্প

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সৌদি আরবের কাছে বেসামরিক পারমাণবিক প্রযুক্তি হস্তান্তরের একটি প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসে পাঠিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই চুক্তি কার্যকর করার ক্ষেত্রে একটি বড় শর্ত জুড়ে দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, সৌদি আরব যদি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে এবং ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এ যোগ দেয়, তবেই কেবল এই পারমাণবিক সহায়তা পাবে রিয়াদ।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুলাই মাসে হওয়া এই চুক্তির আওতায় মার্কিন কোম্পানিগুলো সৌদি আরবে বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও রিয়্যাক্টর নির্মাণ করতে পারবে। এর মধ্যে ওয়েস্টিংহাউস ইলেকট্রিক কোম্পানির কয়েক বিলিয়ন ডলারের প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সোমবার হোয়াইট হাউস থেকে এই প্রস্তাবটি কংগ্রেসের পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান স্পষ্ট–ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলে রিয়াদের সঙ্গে এই পারমাণবিক চুক্তি এগোবে না। এর আগে জো বাইডেন প্রশাসনও একই ধরনের চেষ্টা চালিয়েছিল। তবে রিয়াদ বরাবরই বলে আসছে, একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া তারা ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না।

কংগ্রেসের কাছে এই চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য ৯০ দিন সময় রয়েছে। যদি কংগ্রেস এতে কোনো আপত্তি না জানায়, তবে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে। তবে অনেক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা এই চুক্তির সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, চুক্তিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা পারমাণবিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা নেই, যা ভবিষ্যতে সৌদিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ করে দিতে পারে।

২০২০ ও ২০২১ সালে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও সুদান ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছিল। এখন সৌদি আরবকেও সেই তালিকায় আনতে মরিয়া ওয়াশিংটন। তবে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যের এই ভূ-রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত