সংবাদ

মসজিদ-মন্দিরের টাকাও ছাড়ল না সিন্ডিকেট, ব্যাপক লুটপাট


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম

মসজিদ-মন্দিরের টাকাও ছাড়ল না সিন্ডিকেট, ব্যাপক লুটপাট
ছবি : সংগৃহীত

গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ে সরকারি বরাদ্দের টাকা নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর), কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের অধীনে মসজিদ, মন্দির ও কবরস্থানের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করা লাখ লাখ টাকা হরিলুট করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৩ থেকে ২০২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে আসা বরাদ্দের বড় অংশই আত্মসাৎ করেছে পিআইও অফিসের কর্মকর্তা, প্রকল্প সভাপতি ও একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। কোনো কোনো প্রকল্পে বরাদ্দের মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ দেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও কোনো কাজ না করেই পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গিদারী ইউনিয়নের একটি মসজিদের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও দেওয়া হয়েছে মাত্র ৪০ হাজার টাকা। প্রকল্পের সভাপতি মসজিদের ইমাম তোহা খন্দকার জানান, তিনি কেবল কাগজে সই করেছেন, বাকি সব দেখভাল করেছেন সারোয়ার নামের এক ব্যক্তি। সারোয়ার নিজেও স্বীকার করেছেন, পিআইও অফিস থেকে ‘প্রকল্প কিনে’ তিনি নামমাত্র টাকা দিয়েছেন।

একইভাবে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের একটি কবরস্থান সংস্কারের ২ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও সংশ্লিষ্টরা এক টাকাও পাননি। এমনকি অস্তিত্বহীন রাস্তা দেখিয়ে কাবিখার গম আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাদিয়াখালী ইউনিয়নের একটি মন্দিরের ৫২ হাজার টাকার বরাদ্দের অর্ধেকই গায়েব করে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা পিআইও রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে অন্য এক প্রকৌশলীর ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছেন। তবে গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক বলেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


মসজিদ-মন্দিরের টাকাও ছাড়ল না সিন্ডিকেট, ব্যাপক লুটপাট

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ে সরকারি বরাদ্দের টাকা নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর), কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের অধীনে মসজিদ, মন্দির ও কবরস্থানের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করা লাখ লাখ টাকা হরিলুট করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৩ থেকে ২০২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে আসা বরাদ্দের বড় অংশই আত্মসাৎ করেছে পিআইও অফিসের কর্মকর্তা, প্রকল্প সভাপতি ও একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। কোনো কোনো প্রকল্পে বরাদ্দের মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ দেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও কোনো কাজ না করেই পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গিদারী ইউনিয়নের একটি মসজিদের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও দেওয়া হয়েছে মাত্র ৪০ হাজার টাকা। প্রকল্পের সভাপতি মসজিদের ইমাম তোহা খন্দকার জানান, তিনি কেবল কাগজে সই করেছেন, বাকি সব দেখভাল করেছেন সারোয়ার নামের এক ব্যক্তি। সারোয়ার নিজেও স্বীকার করেছেন, পিআইও অফিস থেকে ‘প্রকল্প কিনে’ তিনি নামমাত্র টাকা দিয়েছেন।

একইভাবে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের একটি কবরস্থান সংস্কারের ২ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও সংশ্লিষ্টরা এক টাকাও পাননি। এমনকি অস্তিত্বহীন রাস্তা দেখিয়ে কাবিখার গম আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাদিয়াখালী ইউনিয়নের একটি মন্দিরের ৫২ হাজার টাকার বরাদ্দের অর্ধেকই গায়েব করে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা পিআইও রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে অন্য এক প্রকৌশলীর ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছেন। তবে গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক বলেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত