সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ১৩ বছর পর কোচ হিসেবে ফেরাটা স্মরণীয় হয়ে থাকল জোসে মরিনহোর জন্য। লা লিগায় নিজেদের ঘরের মাঠে মৌসুমের প্রথম ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পের বিধ্বংসী হ্যাটট্রিকে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
বুধবার রাতে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য রিয়ালের জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। প্রথমার্ধে ছন্দহীন ফুটবল খেলায় ঘরের মাঠের দর্শকদের দুয়োও শুনতে হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। তবে বিরতির পর এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুস ঝড়ে তছনছ হয়ে যায় সোসিয়েদাদ।
ম্যাচের ৪০ মিনিটে ফেদেরিকো ভালভার্দের দুর্দান্ত পাস থেকে গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে নেন এমবাপ্পে। তবে সেই লিড স্থায়ী হয়েছিল মাত্র চার মিনিট। ৪৪ মিনিটে লুকা সুচিচ গোল করে সোসিয়েদাদকে সমতায় ফেরান। বিরতির পর খোলস ছেড়ে বের হয় মরিনহোর শিষ্যরা। ৬০ মিনিটে জুড বেলিংহ্যামের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান খেলে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে।
আট মিনিট পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ব্যবধান ৩-১ করেন। আর ৮০ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের রক্ষণচেরা পাস থেকে চিপ শটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড এমবাপ্পে।
দীর্ঘদিন পর বার্নাব্যুর ডাগআউটে ফেরা মরিনহো ম্যাচ শেষে বলেন, ‘ভক্তদের দুয়ো দেওয়াটা অন্যায্য নয়, এটি খেলোয়াড়দের বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। আমি খুশি যে চাপের মুখে আমার খেলোয়াড়রা দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’
সোসিয়েদাদ ম্যাচের শুরুতে ভালো কিছু সুযোগ পেলেও থিবো কোর্তোয়ার দক্ষতায় গোলবঞ্চিত হয়। শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পের একক নৈপুণ্যে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে গ্যালাকটিকোরা।
/

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ১৩ বছর পর কোচ হিসেবে ফেরাটা স্মরণীয় হয়ে থাকল জোসে মরিনহোর জন্য। লা লিগায় নিজেদের ঘরের মাঠে মৌসুমের প্রথম ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পের বিধ্বংসী হ্যাটট্রিকে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
বুধবার রাতে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য রিয়ালের জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। প্রথমার্ধে ছন্দহীন ফুটবল খেলায় ঘরের মাঠের দর্শকদের দুয়োও শুনতে হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। তবে বিরতির পর এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুস ঝড়ে তছনছ হয়ে যায় সোসিয়েদাদ।
ম্যাচের ৪০ মিনিটে ফেদেরিকো ভালভার্দের দুর্দান্ত পাস থেকে গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে নেন এমবাপ্পে। তবে সেই লিড স্থায়ী হয়েছিল মাত্র চার মিনিট। ৪৪ মিনিটে লুকা সুচিচ গোল করে সোসিয়েদাদকে সমতায় ফেরান। বিরতির পর খোলস ছেড়ে বের হয় মরিনহোর শিষ্যরা। ৬০ মিনিটে জুড বেলিংহ্যামের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান খেলে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে।
আট মিনিট পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ব্যবধান ৩-১ করেন। আর ৮০ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের রক্ষণচেরা পাস থেকে চিপ শটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড এমবাপ্পে।
দীর্ঘদিন পর বার্নাব্যুর ডাগআউটে ফেরা মরিনহো ম্যাচ শেষে বলেন, ‘ভক্তদের দুয়ো দেওয়াটা অন্যায্য নয়, এটি খেলোয়াড়দের বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। আমি খুশি যে চাপের মুখে আমার খেলোয়াড়রা দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’
সোসিয়েদাদ ম্যাচের শুরুতে ভালো কিছু সুযোগ পেলেও থিবো কোর্তোয়ার দক্ষতায় গোলবঞ্চিত হয়। শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পের একক নৈপুণ্যে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে গ্যালাকটিকোরা।
/

আপনার মতামত লিখুন