সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার পর্যটন এলাকা বারিককার টিলায় ৫০ বছর বয়সী এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের বড়গোফ টিলা (বারিককার টিলা) সংলগ্ন একটি জঙ্গলে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম সাইদুল ইসলাম (৪০)। তিনি বড়গোফ টিলা গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয় ব্যক্তিদের দাবি, সাইদুল এলাকায় মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে ভুক্তভোগী নারীকে বারিককার টিলা এলাকার একটি ফুটবল খেলার মাঠ থেকে ভাত খাওয়ানোর কথা বলে পাশের নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যান সাইদুল। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। সীমান্তঘেঁষা পর্যটন এলাকায় এমন ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বড়গোফ গ্রামের জয়নাল আবেদীন ওরফে সঞ্জু মিয়া ও মাহারাম গ্রামের মুতিন মিয়া জানান, সাইদুল মদ্যপ অবস্থায় ওই নারীকে ধরে নিয়ে যান। তিনি মাতাল থাকায় তারা ভয়ে প্রথমে কিছু বলেননি। পরে জঙ্গলের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সাইদুল পালিয়ে যান। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী সাকিব হাসান বলেন, ‘আমি গরু আনতে গিয়ে নারীর চিৎকার শুনতে পাই। সাইদুল মাতাল থাকায় ভয়ে আমি একা না গিয়ে অন্যদের খবর দিই।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাইদুল ইসলাম দাবি করেন, তার সঙ্গে স্থানীয় কিছু মানুষের বিরোধ রয়েছে। এর জেরে তাকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আপনার মতামত লিখুন