চাঁদপুর শহরের আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস ও তার পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক অন্তর্ধানের অবসান ঘটেছে। নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর চট্টগ্রামের পটিয়া ও ফটিকছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন–চাঁদপুর শহরের ‘এসকে শিল্পালয়’ স্বর্ণালঙ্কার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী পিন্টু দাস, তার স্ত্রী রিমি দাস, বড় ছেলে প্রিয়ম দাস ও ছোট ছেলে রুপম দাস।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ আগস্ট থেকে পিন্টু দাসের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল এবং তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটিও তালাবদ্ধ ছিল। একই সময় থেকে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথেও স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ২৬ আগস্ট চাঁদপুরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্বজনদের দাবি ছিল, পিন্টু দাস ঋণগ্রস্ত ছিলেন এবং স্থানীয় এক ব্যক্তির হুমকির মুখে তিনি পরিবার নিয়ে আত্মগোপনে যেতে পারেন।
অন্যদিকে, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন একাধিক গ্রাহক। রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান অভিযোগ করেন, তিনি আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার পিন্টু দাসের কাছে বন্ধক রেখেছিলেন। টাকা ফেরত দিয়ে স্বর্ণ নিতে চাইলে পিন্টু তাকে ঘোরান এবং একপর্যায়ে পরিবারসহ উধাও হয়ে যান। দক্ষিণ গুণরাজদীর জাহিদুল ইসলাম ও শুভঙ্কর মজুমদারও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী কালাম জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত দুই দিন ধরে তাদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছিল। অবশেষে শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির একটি বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।
কেন তারা হঠাৎ আত্মগোপনে গিয়েছিলেন এবং এর পেছনে কেবল ব্যবসায়িক দেনা-পাওনা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, আটক ব্যক্তিদের চাঁদপুরে নিয়ে আসা হচ্ছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
এর আগে পিন্টু দাসের নিখোঁজের সংবাদে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পাওনাদারদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পাওনাদারদের চাপ ও ব্যবসায়িক জটিলতা এড়াতেই তিনি সপরিবারে আত্মগোপন করেছিলেন।
আরো পড়ুন....
চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ পরিবারের চার সদস্য উধাও
/

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
চাঁদপুর শহরের আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস ও তার পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক অন্তর্ধানের অবসান ঘটেছে। নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর চট্টগ্রামের পটিয়া ও ফটিকছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন–চাঁদপুর শহরের ‘এসকে শিল্পালয়’ স্বর্ণালঙ্কার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী পিন্টু দাস, তার স্ত্রী রিমি দাস, বড় ছেলে প্রিয়ম দাস ও ছোট ছেলে রুপম দাস।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ আগস্ট থেকে পিন্টু দাসের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল এবং তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটিও তালাবদ্ধ ছিল। একই সময় থেকে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথেও স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ২৬ আগস্ট চাঁদপুরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্বজনদের দাবি ছিল, পিন্টু দাস ঋণগ্রস্ত ছিলেন এবং স্থানীয় এক ব্যক্তির হুমকির মুখে তিনি পরিবার নিয়ে আত্মগোপনে যেতে পারেন।
অন্যদিকে, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন একাধিক গ্রাহক। রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান অভিযোগ করেন, তিনি আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার পিন্টু দাসের কাছে বন্ধক রেখেছিলেন। টাকা ফেরত দিয়ে স্বর্ণ নিতে চাইলে পিন্টু তাকে ঘোরান এবং একপর্যায়ে পরিবারসহ উধাও হয়ে যান। দক্ষিণ গুণরাজদীর জাহিদুল ইসলাম ও শুভঙ্কর মজুমদারও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী কালাম জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত দুই দিন ধরে তাদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছিল। অবশেষে শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির একটি বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।
কেন তারা হঠাৎ আত্মগোপনে গিয়েছিলেন এবং এর পেছনে কেবল ব্যবসায়িক দেনা-পাওনা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, আটক ব্যক্তিদের চাঁদপুরে নিয়ে আসা হচ্ছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
এর আগে পিন্টু দাসের নিখোঁজের সংবাদে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পাওনাদারদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পাওনাদারদের চাপ ও ব্যবসায়িক জটিলতা এড়াতেই তিনি সপরিবারে আত্মগোপন করেছিলেন।
আরো পড়ুন....
চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ পরিবারের চার সদস্য উধাও
/

আপনার মতামত লিখুন