সংবাদ

রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে ঠাকুরগাঁওয়ে হাফ ম্যারাথন


প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও
প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৫ এএম

রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে ঠাকুরগাঁওয়ে হাফ ম্যারাথন
ছবি : সংবাদ

ভোরের নীরবতা ভেঙে একসঙ্গে ছুটলেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দৌড়বিদরা। কারও লক্ষ্য নিজের রেকর্ড ভাঙা, কারও প্রত্যয় সুস্থ জীবন গড়া। কেউবা ছুটলেন সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ় করার বার্তা নিয়ে। এমন প্রাণবন্ত আয়োজনে ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ঠাকুরগাঁও হাফ ম্যারাথন ২০২৬’।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে জেলা শহরের আব্দুর রশিদ ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে এই দৌড় শুরু হয়। এবারের ম্যারাথনটি উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের ২৩তম নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। সুস্থতা ও সম্প্রীতির জয়গান গাওয়ার এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ‘ঠাকুরগাঁও রানার্স’। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল মেসার্স গার্ডেনিয়া।

প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেশের প্রায় ৩০টি জেলা থেকে দৌড়বিদরা ঠাকুরগাঁওয়ে জড়ো হন। ঢাকা থেকে আসা কিশোরী দৌড়বিদ জিন্নাথ পারভীন বলেন, ‘এই ম্যারাথন শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি এক জেলার সঙ্গে অন্য জেলার মানুষের হৃদয়ের সংযোগ তৈরি করে। এমন আয়োজনে অংশ নিতে পেরে আমরা আনন্দিত।

আয়োজকরা জানান, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং খেলাধুলার প্রতি তার অনুরাগকে সম্মান জানাতেই এই আয়োজন তাকে উৎসর্গ করা হয়েছে। সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদী রাষ্ট্রপতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে এই মিলনমেলায় যুক্ত করা হয়েছে।

ম্যারাথনে অংশ নেওয়া তরুণ রানার এলিন খান নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘একজন দৌড়বিদের কাছে প্রতিটি কিলোমিটারই নতুন চ্যালেঞ্জ। পা ক্লান্ত হয়ে এলেও থেমে যাওয়া যায় না। কারণ লক্ষ্য শুধু ফিনিশিং লাইন নয়, নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করা।

কেবল দৌড় নয়, এই আয়োজনের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকেও তুলে ধরা হয়। ম্যারাথন শেষে অংশগ্রহণকারীদের জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় ও ঐতিহ্যবাহী স্থান ঘুরিয়ে দেখানো হয়।

ঠাকুরগাঁও রানার্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুর ই শাহাদাত স্বজন বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে সারা দেশে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) নির্বাহী পরিচালক ড. শহীদ উজ জামান। এ সময় শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আয়োজক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬


রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে ঠাকুরগাঁওয়ে হাফ ম্যারাথন

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভোরের নীরবতা ভেঙে একসঙ্গে ছুটলেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দৌড়বিদরা। কারও লক্ষ্য নিজের রেকর্ড ভাঙা, কারও প্রত্যয় সুস্থ জীবন গড়া। কেউবা ছুটলেন সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ় করার বার্তা নিয়ে। এমন প্রাণবন্ত আয়োজনে ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ঠাকুরগাঁও হাফ ম্যারাথন ২০২৬’।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে জেলা শহরের আব্দুর রশিদ ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে এই দৌড় শুরু হয়। এবারের ম্যারাথনটি উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের ২৩তম নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। সুস্থতা ও সম্প্রীতির জয়গান গাওয়ার এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ‘ঠাকুরগাঁও রানার্স’। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল মেসার্স গার্ডেনিয়া।

প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেশের প্রায় ৩০টি জেলা থেকে দৌড়বিদরা ঠাকুরগাঁওয়ে জড়ো হন। ঢাকা থেকে আসা কিশোরী দৌড়বিদ জিন্নাথ পারভীন বলেন, ‘এই ম্যারাথন শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি এক জেলার সঙ্গে অন্য জেলার মানুষের হৃদয়ের সংযোগ তৈরি করে। এমন আয়োজনে অংশ নিতে পেরে আমরা আনন্দিত।

আয়োজকরা জানান, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং খেলাধুলার প্রতি তার অনুরাগকে সম্মান জানাতেই এই আয়োজন তাকে উৎসর্গ করা হয়েছে। সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদী রাষ্ট্রপতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে এই মিলনমেলায় যুক্ত করা হয়েছে।

ম্যারাথনে অংশ নেওয়া তরুণ রানার এলিন খান নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘একজন দৌড়বিদের কাছে প্রতিটি কিলোমিটারই নতুন চ্যালেঞ্জ। পা ক্লান্ত হয়ে এলেও থেমে যাওয়া যায় না। কারণ লক্ষ্য শুধু ফিনিশিং লাইন নয়, নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করা।

কেবল দৌড় নয়, এই আয়োজনের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকেও তুলে ধরা হয়। ম্যারাথন শেষে অংশগ্রহণকারীদের জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় ও ঐতিহ্যবাহী স্থান ঘুরিয়ে দেখানো হয়।

ঠাকুরগাঁও রানার্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুর ই শাহাদাত স্বজন বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে সারা দেশে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) নির্বাহী পরিচালক ড. শহীদ উজ জামান। এ সময় শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আয়োজক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত