ফেডারেশন কাপকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন পর তায়কোয়ান্দো রুপ নিয়েছে উৎসবে। শুক্রবার তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করতে আসেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক (ইডি) মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন।
এ সময় তিনি বলেন,
‘তায়কোয়ান্দোকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতি আমাদের আগ্রহ রয়েছে।
এতে খেলাধুলার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মরক্ষার সক্ষমতা তৈরি হবে, যা দেশের
বর্তমান আর্থসামাজিক বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’
এ সময় বাংলাদেশ
তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা এবং ফেডারেশনের সদস্য,
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী পরিচালক
মো. দৌতুজ্জামান খাঁন আরও বলেন, ‘তায়কোয়ান্দো অলিম্পিকের তালিকাভুক্ত একটি খেলা। এই
খেলাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যারা এই খেলায় অভিজ্ঞ, তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে
পড়াশোনার ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সুযোগ তৈরি হয়।’
শুধু খেলোয়াড় তৈরি
নয়, তায়কোয়ান্দোকে ভবিষ্যতে পেশা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
দেশে তায়কোয়ান্দোর অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপরও
জোর দিয়েছেন ক্রীড়া পরিষদের এই কর্তা।
জাতীয় ক্রীড়া পরিসরে
বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে ছোট পরিসর থেকেও বড় ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা
সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। নির্বাহী পরিচালকের কথা, ‘ছোট জায়গায় পরিকল্পিতভাবে যদি আমরা
কাজ করতে পারি, এখানেও অনেক কাজ করতে পারবো।’
তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের
অ্যাডহক কমিটির সদস্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির
খান বলেন, ‘মিডিয়ার প্রচারের আলোয় এলে এই খেলাটির প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়বে এবং তায়কোয়ান্দো
আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।’
এই আয়োজন সম্পর্কে
সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা বলেন, ‘ছেলে-মেয়েরা অনেকদিন খেলার বাইরে ছিল। ফেডারেশন
কাপ তাদের জন্য বিরাট এক সুযোগ। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে খেলোয়াড়রা নিজেদের প্রতিভার
বিকাশের সুযোগ পাবে। আর আমরা খুঁজে পাবো জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেয়ার মতো খেলোয়াড়। ফেডারেশন
কাপ থেকে জাতীয় পর্যায়ে যারা ভালো করবে, তারাই সামনে এসএ গেমসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক
প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাবে।’
এবারের আসরে ১৭টি
জেলা এবং চার বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক প্রতিযোগী ফেডারেশন কাপে অংশ নিচ্ছে।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
ফেডারেশন কাপকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন পর তায়কোয়ান্দো রুপ নিয়েছে উৎসবে। শুক্রবার তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করতে আসেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক (ইডি) মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন।
এ সময় তিনি বলেন,
‘তায়কোয়ান্দোকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতি আমাদের আগ্রহ রয়েছে।
এতে খেলাধুলার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মরক্ষার সক্ষমতা তৈরি হবে, যা দেশের
বর্তমান আর্থসামাজিক বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’
এ সময় বাংলাদেশ
তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা এবং ফেডারেশনের সদস্য,
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী পরিচালক
মো. দৌতুজ্জামান খাঁন আরও বলেন, ‘তায়কোয়ান্দো অলিম্পিকের তালিকাভুক্ত একটি খেলা। এই
খেলাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যারা এই খেলায় অভিজ্ঞ, তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে
পড়াশোনার ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সুযোগ তৈরি হয়।’
শুধু খেলোয়াড় তৈরি
নয়, তায়কোয়ান্দোকে ভবিষ্যতে পেশা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
দেশে তায়কোয়ান্দোর অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপরও
জোর দিয়েছেন ক্রীড়া পরিষদের এই কর্তা।
জাতীয় ক্রীড়া পরিসরে
বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে ছোট পরিসর থেকেও বড় ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা
সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। নির্বাহী পরিচালকের কথা, ‘ছোট জায়গায় পরিকল্পিতভাবে যদি আমরা
কাজ করতে পারি, এখানেও অনেক কাজ করতে পারবো।’
তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের
অ্যাডহক কমিটির সদস্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির
খান বলেন, ‘মিডিয়ার প্রচারের আলোয় এলে এই খেলাটির প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়বে এবং তায়কোয়ান্দো
আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।’
এই আয়োজন সম্পর্কে
সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা বলেন, ‘ছেলে-মেয়েরা অনেকদিন খেলার বাইরে ছিল। ফেডারেশন
কাপ তাদের জন্য বিরাট এক সুযোগ। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে খেলোয়াড়রা নিজেদের প্রতিভার
বিকাশের সুযোগ পাবে। আর আমরা খুঁজে পাবো জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেয়ার মতো খেলোয়াড়। ফেডারেশন
কাপ থেকে জাতীয় পর্যায়ে যারা ভালো করবে, তারাই সামনে এসএ গেমসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক
প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাবে।’
এবারের আসরে ১৭টি
জেলা এবং চার বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক প্রতিযোগী ফেডারেশন কাপে অংশ নিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন