বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার আসন্ন ক্রিকেট সিরিজ আরও এক দফায় পেছাচ্ছে। আগামী মাসে তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফরে আসার কথা থাকলেও, এই সময়ে সিরিজটি হচ্ছে না।
ভারতীয়
সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আগামী বছরের জানুয়ারি অথবা ২০২৭ সালের
শুরুর দিকে সিরিজটি আয়োজনের
জন্য নতুন সময় প্রস্তাব
করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মূলত
গত বছরের আগস্টে এই দ্বিপক্ষীয় সিরিজটি
মাঠে গড়ানোর কথা থাকলেও রাজনৈতিক
ও আনুষঙ্গিক নানা কারণে তা
পিছিয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে
পুনর্নির্ধারিত হয়। ঢাকা ও
চট্টগ্রামে ম্যাচগুলো হওয়ার কথা থাকলেও ভারতীয়
ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এখন পর্যন্ত এই
সফরের কোনো আনুষ্ঠানিক চূড়ান্ত
সূচি ঘোষণা করেনি।
এর আগে আইপিএলে কলকাতা
নাইট রাইডার্স থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে
ছেড়ে দেওয়া এবং টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর
না করার সিদ্ধান্ত দুই
বোর্ডের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি করেছিল।
তবে
নতুন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ভারত সফর এবং
বিসিসিআই সেন্টার অব এক্সিলেন্স পরিদর্শনের
পর দুই দেশের ক্রিকেট
সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু
করেছে।
যদিও
বিসিবি চাচ্ছে ২০২৭ সালের শুরুর
দিকে সিরিজটি আয়োজন করতে, তবে জানুয়ারিতেও এই
হাই-ভোল্টেজ সিরিজ আয়োজন করা বেশ কঠিন
হবে। কারণ ওই সময়ে
ভারতীয় দলের আন্তর্জাতিক সূচি
বেশ ঠাসা। জানুয়ারির শুরুতেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে ভারতের।
এরপর
২১ জানুয়ারি থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে
ঐতিহ্যবাহী পাঁচ ম্যাচের টেস্ট
সিরিজ শুরু হওয়ার কথা।
ফলে জিম্বাবুয়ে ও অস্ট্রেলিয়া সিরিজের
মাঝের অত্যন্ত সীমিত সময়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে
পূর্ণাঙ্গ সিরিজটি আয়োজন করা নিয়ে এক
ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে।
দুই
দেশের সরকারের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা এবং বিসিসিআইয়ের আনুষ্ঠানিক
সবুজ সংকেতের ওপর নির্ভর করছে
এই সিরিজের ভাগ্য। বিসিবি ও বিসিসিআইয়ের পারস্পরিক
কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে দ্রুতই এই স্থগিত সিরিজের
একটি স্থায়ী ও নতুন সূচি
চূড়ান্ত হবে বলে আশা
করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার আসন্ন ক্রিকেট সিরিজ আরও এক দফায় পেছাচ্ছে। আগামী মাসে তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফরে আসার কথা থাকলেও, এই সময়ে সিরিজটি হচ্ছে না।
ভারতীয়
সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আগামী বছরের জানুয়ারি অথবা ২০২৭ সালের
শুরুর দিকে সিরিজটি আয়োজনের
জন্য নতুন সময় প্রস্তাব
করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মূলত
গত বছরের আগস্টে এই দ্বিপক্ষীয় সিরিজটি
মাঠে গড়ানোর কথা থাকলেও রাজনৈতিক
ও আনুষঙ্গিক নানা কারণে তা
পিছিয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে
পুনর্নির্ধারিত হয়। ঢাকা ও
চট্টগ্রামে ম্যাচগুলো হওয়ার কথা থাকলেও ভারতীয়
ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এখন পর্যন্ত এই
সফরের কোনো আনুষ্ঠানিক চূড়ান্ত
সূচি ঘোষণা করেনি।
এর আগে আইপিএলে কলকাতা
নাইট রাইডার্স থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে
ছেড়ে দেওয়া এবং টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর
না করার সিদ্ধান্ত দুই
বোর্ডের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি করেছিল।
তবে
নতুন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ভারত সফর এবং
বিসিসিআই সেন্টার অব এক্সিলেন্স পরিদর্শনের
পর দুই দেশের ক্রিকেট
সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু
করেছে।
যদিও
বিসিবি চাচ্ছে ২০২৭ সালের শুরুর
দিকে সিরিজটি আয়োজন করতে, তবে জানুয়ারিতেও এই
হাই-ভোল্টেজ সিরিজ আয়োজন করা বেশ কঠিন
হবে। কারণ ওই সময়ে
ভারতীয় দলের আন্তর্জাতিক সূচি
বেশ ঠাসা। জানুয়ারির শুরুতেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে ভারতের।
এরপর
২১ জানুয়ারি থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে
ঐতিহ্যবাহী পাঁচ ম্যাচের টেস্ট
সিরিজ শুরু হওয়ার কথা।
ফলে জিম্বাবুয়ে ও অস্ট্রেলিয়া সিরিজের
মাঝের অত্যন্ত সীমিত সময়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে
পূর্ণাঙ্গ সিরিজটি আয়োজন করা নিয়ে এক
ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে।
দুই
দেশের সরকারের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা এবং বিসিসিআইয়ের আনুষ্ঠানিক
সবুজ সংকেতের ওপর নির্ভর করছে
এই সিরিজের ভাগ্য। বিসিবি ও বিসিসিআইয়ের পারস্পরিক
কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে দ্রুতই এই স্থগিত সিরিজের
একটি স্থায়ী ও নতুন সূচি
চূড়ান্ত হবে বলে আশা
করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন