নারীদের উন্নয়ন ও অগ্রগতি হলে তবেই দেশ সত্যিকার অর্থে এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, একটি পরিবারের মেয়েরা শিক্ষিত ও কর্মক্ষম হলে ওই পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
শুক্রবার
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ হলরুমে দুঃস্থ, অসহায়, মেধাবী শিক্ষার্থী, নির্যাতিত নারী ও শিশুদের
কল্যাণ তহবিল থেকে অনুদানের চেক
এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে
বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই কথাগুলো বলেন।
সমাজকল্যাণ
মন্ত্রী আরও বলেন, একটি
পরিবারের মেয়েরা যদি শিক্ষিত ও
কর্মক্ষম হয়, তাহলে ওই
পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই আমরা
মা ও মেয়েদের বিভিন্নভাবে
আর্থিক সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়ে
যাচ্ছি। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। এসব নারী ও
মেয়ে শিক্ষার্থীদের যদি আমরা সামনের
দিকে নিয়ে যেতে পারি,
তাহলে আগামী দিনে বদলে যাবে
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। আমরা এমন একটি
বাংলাদেশ চাই, যেখানে সবাই
ভালো থাকবে। মনের মধ্যে ক্রোধ
না রেখে, সবাই মিলে এমন
একটি সমাজ গড়ে তুলতে
হবে, যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতা থাকবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে
অন্তর্ভুক্তি মূলক সমাজ ব্যবস্থা
গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
সরকারি
অনুদানের সদ্ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে
মন্ত্রী বলেন, সরকার বিভিন্ন স্তরে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে যেসব অনুদান দিচ্ছে,
তা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে।
অনুদানের অর্থ দিয়ে সবজি
চাষ, বাগান, হাঁস-মুরগি পালনসহ
বিভিন্ন আয়বর্ধক কাজে বিনিয়োগ করলে,
ধীরে ধীরে পরিবারের আর্থিক
অবস্থার উন্নতি হবে। এতে সন্তানদের
পড়াশোনা, খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত ও চিকিৎসার খরচ
বহন করা সহজ হবে।
আমরা দেশের সকল পরিবারের মেয়েদের
এসব সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। যাতে
সরকারি সহযোগিতায় প্রত্যেক পরিবারের স্বচ্ছলতা বাড়ে। একটি নারীকে স্বাবলম্বী
করা মানে, পুরো পরিবারকে স্বাবলম্বী
করার পথ তৈরি ও
অগ্রগামী করার বাস্তবতা স্থাপন
হয়।
ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম শামীম হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমেদ ও পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলন।
অনুষ্ঠানে ঘোড়াঘাট এবং হাকিমপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হারেজ উদ্দিন, মন্ত্রীর পিএস ডা. জাবেদ হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাছুদ রানা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী ঘোড়াঘাট
উপজেলার ৬০ জন শিক্ষার্থীর
মাঝে বাইসাইকেল এবং ক্যান্সার ও
কিডনি রোগী, মেধাবী শিক্ষার্থী, দুস্থ ব্যক্তি, আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন মসজিদ
ও মন্দিরের উন্নয়ন কাজের জন্য প্রায় দেড়
কোটি টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
নারীদের উন্নয়ন ও অগ্রগতি হলে তবেই দেশ সত্যিকার অর্থে এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, একটি পরিবারের মেয়েরা শিক্ষিত ও কর্মক্ষম হলে ওই পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
শুক্রবার
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ হলরুমে দুঃস্থ, অসহায়, মেধাবী শিক্ষার্থী, নির্যাতিত নারী ও শিশুদের
কল্যাণ তহবিল থেকে অনুদানের চেক
এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে
বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই কথাগুলো বলেন।
সমাজকল্যাণ
মন্ত্রী আরও বলেন, একটি
পরিবারের মেয়েরা যদি শিক্ষিত ও
কর্মক্ষম হয়, তাহলে ওই
পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই আমরা
মা ও মেয়েদের বিভিন্নভাবে
আর্থিক সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়ে
যাচ্ছি। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। এসব নারী ও
মেয়ে শিক্ষার্থীদের যদি আমরা সামনের
দিকে নিয়ে যেতে পারি,
তাহলে আগামী দিনে বদলে যাবে
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। আমরা এমন একটি
বাংলাদেশ চাই, যেখানে সবাই
ভালো থাকবে। মনের মধ্যে ক্রোধ
না রেখে, সবাই মিলে এমন
একটি সমাজ গড়ে তুলতে
হবে, যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতা থাকবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে
অন্তর্ভুক্তি মূলক সমাজ ব্যবস্থা
গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
সরকারি
অনুদানের সদ্ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে
মন্ত্রী বলেন, সরকার বিভিন্ন স্তরে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে যেসব অনুদান দিচ্ছে,
তা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে।
অনুদানের অর্থ দিয়ে সবজি
চাষ, বাগান, হাঁস-মুরগি পালনসহ
বিভিন্ন আয়বর্ধক কাজে বিনিয়োগ করলে,
ধীরে ধীরে পরিবারের আর্থিক
অবস্থার উন্নতি হবে। এতে সন্তানদের
পড়াশোনা, খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত ও চিকিৎসার খরচ
বহন করা সহজ হবে।
আমরা দেশের সকল পরিবারের মেয়েদের
এসব সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। যাতে
সরকারি সহযোগিতায় প্রত্যেক পরিবারের স্বচ্ছলতা বাড়ে। একটি নারীকে স্বাবলম্বী
করা মানে, পুরো পরিবারকে স্বাবলম্বী
করার পথ তৈরি ও
অগ্রগামী করার বাস্তবতা স্থাপন
হয়।
ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম শামীম হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমেদ ও পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলন।
অনুষ্ঠানে ঘোড়াঘাট এবং হাকিমপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হারেজ উদ্দিন, মন্ত্রীর পিএস ডা. জাবেদ হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাছুদ রানা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী ঘোড়াঘাট
উপজেলার ৬০ জন শিক্ষার্থীর
মাঝে বাইসাইকেল এবং ক্যান্সার ও
কিডনি রোগী, মেধাবী শিক্ষার্থী, দুস্থ ব্যক্তি, আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন মসজিদ
ও মন্দিরের উন্নয়ন কাজের জন্য প্রায় দেড়
কোটি টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন