বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নাম, ছবি এবং রাজনৈতিক পদবি ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি ও পেজ পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
এসব
ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত রাজনৈতিক
বক্তব্য, মন্তব্য, ছবি ও ভিডিও
প্রচার করায় জনমনে বিভ্রান্তি
সৃষ্টি হচ্ছে। এই সাইবার জালিয়াতি
ও অপপ্রচারের প্রতিকার চেয়ে রাজধানীর ধানমন্ডি
থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি
(জিডি) করা হয়েছে।
শুক্রবার
বিএনপির এই নেতার ব্যক্তিগত
সহকারী মশিউর রহমান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জিডি করার বিষয়টি
গণমাধ্যম ও দলীয় নেতাকর্মীদের
জানান। এর আগে বৃহস্পতিবার
সন্ধ্যায় ধানমন্ডি থানায় এই সাধারণ ডায়েরিটি
নথিভুক্ত করা হয়।
জিডিতে
স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, রুহুল
কবির রিজভী ব্যক্তিগতভাবে কোনো ধরনের ফেসবুক
আইডি, প্রোফাইল বা পেজ পরিচালনা
করেন না। তাই তার
নাম ও ছবি ভাঙিয়ে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো পোস্ট, মন্তব্য,
ছবি, ভিডিও কিংবা রাজনৈতিক বক্তব্যকে তার নিজের বা
অনুমোদিত বক্তব্য হিসেবে গণ্য না করার
জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অভিযোগে
বলা হয়েছে, সম্প্রতি একটি চক্র রুহুল
কবির রিজভীর নাম ও পরিচয়
ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া
অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করেছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এর
মধ্যে একটি ভুয়া অ্যাকাউন্টে
ফেসবুকের ব্লু ভেরিফিকেশন বা
ব্লু মার্ক পর্যন্ত যুক্ত রয়েছে, যার ফলে সাধারণ
মানুষ ও নেতাকর্মীরা অ্যাকাউন্টটিকে
আসল মনে করে চরম
বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন।
এসব
অ্যাকাউন্ট থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন মনগড়া
রাজনৈতিক মতামত ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট
প্রচার করা হচ্ছে, যা
তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও ব্যক্তিগত সুনাম
ক্ষুণ্ন করার গভীর ষড়যন্ত্রের
অংশ। ভবিষ্যতে এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার
করে আরও বড় ধরনের
গুজব বা মিথ্যা তথ্য
ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে বলেও জিডিতে সতর্ক
করা হয়েছে।
এর আগে,
রুহুল কবির রিজভীর নাম
ব্যবহার করে ভুয়া সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট খোলার ঘটনা এটিই প্রথম
নয়। এর আগেও এ
ধরনের সাইবার অপরাধের প্রতিবাদে এবং প্রতিকার চেয়ে
পল্টন থানায় একাধিকবার সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল। পুলিশ
প্রশাসনকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোর
বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার
অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নাম, ছবি এবং রাজনৈতিক পদবি ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি ও পেজ পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
এসব
ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত রাজনৈতিক
বক্তব্য, মন্তব্য, ছবি ও ভিডিও
প্রচার করায় জনমনে বিভ্রান্তি
সৃষ্টি হচ্ছে। এই সাইবার জালিয়াতি
ও অপপ্রচারের প্রতিকার চেয়ে রাজধানীর ধানমন্ডি
থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি
(জিডি) করা হয়েছে।
শুক্রবার
বিএনপির এই নেতার ব্যক্তিগত
সহকারী মশিউর রহমান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জিডি করার বিষয়টি
গণমাধ্যম ও দলীয় নেতাকর্মীদের
জানান। এর আগে বৃহস্পতিবার
সন্ধ্যায় ধানমন্ডি থানায় এই সাধারণ ডায়েরিটি
নথিভুক্ত করা হয়।
জিডিতে
স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, রুহুল
কবির রিজভী ব্যক্তিগতভাবে কোনো ধরনের ফেসবুক
আইডি, প্রোফাইল বা পেজ পরিচালনা
করেন না। তাই তার
নাম ও ছবি ভাঙিয়ে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো পোস্ট, মন্তব্য,
ছবি, ভিডিও কিংবা রাজনৈতিক বক্তব্যকে তার নিজের বা
অনুমোদিত বক্তব্য হিসেবে গণ্য না করার
জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অভিযোগে
বলা হয়েছে, সম্প্রতি একটি চক্র রুহুল
কবির রিজভীর নাম ও পরিচয়
ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া
অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করেছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এর
মধ্যে একটি ভুয়া অ্যাকাউন্টে
ফেসবুকের ব্লু ভেরিফিকেশন বা
ব্লু মার্ক পর্যন্ত যুক্ত রয়েছে, যার ফলে সাধারণ
মানুষ ও নেতাকর্মীরা অ্যাকাউন্টটিকে
আসল মনে করে চরম
বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন।
এসব
অ্যাকাউন্ট থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন মনগড়া
রাজনৈতিক মতামত ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট
প্রচার করা হচ্ছে, যা
তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও ব্যক্তিগত সুনাম
ক্ষুণ্ন করার গভীর ষড়যন্ত্রের
অংশ। ভবিষ্যতে এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার
করে আরও বড় ধরনের
গুজব বা মিথ্যা তথ্য
ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে বলেও জিডিতে সতর্ক
করা হয়েছে।
এর আগে,
রুহুল কবির রিজভীর নাম
ব্যবহার করে ভুয়া সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট খোলার ঘটনা এটিই প্রথম
নয়। এর আগেও এ
ধরনের সাইবার অপরাধের প্রতিবাদে এবং প্রতিকার চেয়ে
পল্টন থানায় একাধিকবার সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল। পুলিশ
প্রশাসনকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোর
বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার
অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন