বিরোধী দলের চলমান আন্দোলন দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি
স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলাদেশ যদি সবসময় আন্দোলনের
মধ্যে থাকে, তবে কোনো এলাকারই
আশানুরূপ উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই ধরনের
কর্মসূচি দেশের সাধারণ মানুষের জন্য চরম ক্ষতির
কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দিঘলী ইউনিয়নের দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকায় এসডিএফ-এর বি স্ট্রং
প্রকল্পের উপকারভোগীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন।
বর্তমান
রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী
বলেন, দেশ পরিচালনার দায়িত্ব
জনগণ বিএনপিকে দিয়েছে এবং আমাদের সঙ্গে
আরেকটি পক্ষ ভোট করেছে
যারা এখন প্রধান বিরোধী
দল। কিন্তু দুঃখজনক হলো, আমরা যেদিন
শপথ নিয়েছি, তারা সেদিন উপস্থিতও
হয়নি এবং আমাদের কোনো
সহযোগিতা করেনি। উল্টো তারা এখন পর্যন্ত
আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে যাচ্ছে।
বিগত
দিনের আন্দোলনের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে শহীদ উদ্দীন
চৌধুরী এ্যানি বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে
আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন
করেছি এবং নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছি। হাসিনা যেভাবে দেশবাসীর ওপর অত্যাচার-নির্যাতন
চালিয়েছে, তাতে পুরো দেশ
ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে
আন্দোলন করে আমরা দেশ
ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছি। এখন আমাদের মূল
কাজ হলো সেই অর্জনকে
সুরক্ষা করা এবং নতুনভাবে
বাংলাদেশকে গড়ে তোলা। এই
যাত্রায় বিরোধী দলেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
বিরোধী
দলের রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে সমালোচনা
করে তিনি আরও বলেন,
তারা আন্দোলন করে বিএনপিকে জিম্মি
করতে চাচ্ছে। হাসিনা যেভাবে অতীতে ১৭২ দিন হরতাল
দিয়ে দেশের মানুষকে জিম্মি করে ক্ষমতায় এসেছিল
এবং পরবর্তীতে দেশের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছিল, ঠিক তেমনি আজও
বিরোধী দল মনে করছে
আন্দোলন করলে বিএনপি, তারেক
রহমান এবং মন্ত্রী-এমপিরা
দুর্বল হয়ে যাবে। সেই
সুযোগে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে তাদের ভোট
দিয়ে ক্ষমতায় আনবে। কিন্তু দেশের মঙ্গলের জন্য সেই সুযোগ
কাউকেই দেওয়া যাবে না। সেজন্য
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে থেকে
কাজ করতে হবে।
আগামী
দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আগামী আড়াই থেকে তিন
বছরের মধ্যেই দেশের দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখা যাবে। বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী রাখতে হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশকে স্বনির্ভর করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে গ্রামে
গ্রামে ঘুরে জনগণের সঙ্গে
কাজ করে দেশের উন্নয়ন
করেছিলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী পাঁচ বছরে যদি
সেভাবে কাজ করা যায়,
তবে দেশের মানুষের মুখে স্থায়ী হাসি
ফোটার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
উক্ত
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে
উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রব,
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ ভুঁইয়া, দিঘলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম সরওয়ার, সাধারণ সম্পাদক কাজী নুরুল আমিন,
বিএনপি নেতা শাহজাহান মিয়া
ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহের ইসলাম জাহাঙ্গীরসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
বিরোধী দলের চলমান আন্দোলন দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি
স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলাদেশ যদি সবসময় আন্দোলনের
মধ্যে থাকে, তবে কোনো এলাকারই
আশানুরূপ উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই ধরনের
কর্মসূচি দেশের সাধারণ মানুষের জন্য চরম ক্ষতির
কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দিঘলী ইউনিয়নের দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকায় এসডিএফ-এর বি স্ট্রং
প্রকল্পের উপকারভোগীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন।
বর্তমান
রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী
বলেন, দেশ পরিচালনার দায়িত্ব
জনগণ বিএনপিকে দিয়েছে এবং আমাদের সঙ্গে
আরেকটি পক্ষ ভোট করেছে
যারা এখন প্রধান বিরোধী
দল। কিন্তু দুঃখজনক হলো, আমরা যেদিন
শপথ নিয়েছি, তারা সেদিন উপস্থিতও
হয়নি এবং আমাদের কোনো
সহযোগিতা করেনি। উল্টো তারা এখন পর্যন্ত
আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে যাচ্ছে।
বিগত
দিনের আন্দোলনের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে শহীদ উদ্দীন
চৌধুরী এ্যানি বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে
আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন
করেছি এবং নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছি। হাসিনা যেভাবে দেশবাসীর ওপর অত্যাচার-নির্যাতন
চালিয়েছে, তাতে পুরো দেশ
ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে
আন্দোলন করে আমরা দেশ
ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছি। এখন আমাদের মূল
কাজ হলো সেই অর্জনকে
সুরক্ষা করা এবং নতুনভাবে
বাংলাদেশকে গড়ে তোলা। এই
যাত্রায় বিরোধী দলেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
বিরোধী
দলের রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে সমালোচনা
করে তিনি আরও বলেন,
তারা আন্দোলন করে বিএনপিকে জিম্মি
করতে চাচ্ছে। হাসিনা যেভাবে অতীতে ১৭২ দিন হরতাল
দিয়ে দেশের মানুষকে জিম্মি করে ক্ষমতায় এসেছিল
এবং পরবর্তীতে দেশের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছিল, ঠিক তেমনি আজও
বিরোধী দল মনে করছে
আন্দোলন করলে বিএনপি, তারেক
রহমান এবং মন্ত্রী-এমপিরা
দুর্বল হয়ে যাবে। সেই
সুযোগে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে তাদের ভোট
দিয়ে ক্ষমতায় আনবে। কিন্তু দেশের মঙ্গলের জন্য সেই সুযোগ
কাউকেই দেওয়া যাবে না। সেজন্য
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে থেকে
কাজ করতে হবে।
আগামী
দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আগামী আড়াই থেকে তিন
বছরের মধ্যেই দেশের দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখা যাবে। বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী রাখতে হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশকে স্বনির্ভর করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে গ্রামে
গ্রামে ঘুরে জনগণের সঙ্গে
কাজ করে দেশের উন্নয়ন
করেছিলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী পাঁচ বছরে যদি
সেভাবে কাজ করা যায়,
তবে দেশের মানুষের মুখে স্থায়ী হাসি
ফোটার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
উক্ত
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে
উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রব,
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ ভুঁইয়া, দিঘলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম সরওয়ার, সাধারণ সম্পাদক কাজী নুরুল আমিন,
বিএনপি নেতা শাহজাহান মিয়া
ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহের ইসলাম জাহাঙ্গীরসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন