ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পশ্চিম উপকণ্ঠের কাছে একটি গুদামে রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে সংঘটিত এই আকস্মিক হামলার পর বিশাল ওই গুদামটিতে ব্যাপক আগুন ও ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটে। শনিবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এই মর্মান্তিক তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তিমুর তাকাচেঙ্কো গণমাধ্যমকে জানান, এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে ধ্বংসস্তূপ অপসারণের কাজ চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মর্মান্তিক এই হামলায় ইউক্রেনের দিমিত্রিভস্কা গ্রামের মেয়র তারাস দিদিচও প্রাণ হারিয়েছেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত প্রায় আটটা ১০ মিনিটে একটি রুশ ড্রোন কিয়েভের পশ্চিমে মিলা শহরের একটি প্রতিষ্ঠানের এলাকায় আঘাত হানে। এর পরপরই সেখানে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে। ঘটনার পর থেকেই রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলের আকাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এবং শনিবারও সেখানে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে গুদামটিতে বিস্ফোরক সামগ্রী সংরক্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউক্রেনের প্রসিকিউটররা গুদামটিতে বিস্ফোরক বস্তু ও সামগ্রী আইনসম্মতভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল কি না এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় সরকারি ছাড়পত্র ছিল কি না, তা নিয়ে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছেন।
এদিকে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সের্হি কোরেতস্কি। তিনি জানান, গত জুলাই মাসে কিয়েভের কাছে ভিশনেভ শহরে একটি অস্ত্রভান্ডারে প্রাণঘাতী হামলার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো শিক্ষা নেয়নি। আবাসিক এলাকার কাছাকাছি থেকে নিরাপত্তা মানদণ্ড না মেনে এ ধরনের গুদাম পরিচালনা করা এবং একই ভুল বারবার করাকে তিনি ফৌজদারি অবহেলা বলে উল্লেখ করেছেন।
পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দায়ীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দূরপাল্লার পাল্টাপাল্টি হামলা মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে, যার ফলে সামরিক ও বেসামরিক উভয় পর্যায়েই হতাহতের ঘটনা লাগাতার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পশ্চিম উপকণ্ঠের কাছে একটি গুদামে রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে সংঘটিত এই আকস্মিক হামলার পর বিশাল ওই গুদামটিতে ব্যাপক আগুন ও ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটে। শনিবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এই মর্মান্তিক তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তিমুর তাকাচেঙ্কো গণমাধ্যমকে জানান, এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে ধ্বংসস্তূপ অপসারণের কাজ চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মর্মান্তিক এই হামলায় ইউক্রেনের দিমিত্রিভস্কা গ্রামের মেয়র তারাস দিদিচও প্রাণ হারিয়েছেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত প্রায় আটটা ১০ মিনিটে একটি রুশ ড্রোন কিয়েভের পশ্চিমে মিলা শহরের একটি প্রতিষ্ঠানের এলাকায় আঘাত হানে। এর পরপরই সেখানে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে। ঘটনার পর থেকেই রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলের আকাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এবং শনিবারও সেখানে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে গুদামটিতে বিস্ফোরক সামগ্রী সংরক্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউক্রেনের প্রসিকিউটররা গুদামটিতে বিস্ফোরক বস্তু ও সামগ্রী আইনসম্মতভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল কি না এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় সরকারি ছাড়পত্র ছিল কি না, তা নিয়ে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছেন।
এদিকে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সের্হি কোরেতস্কি। তিনি জানান, গত জুলাই মাসে কিয়েভের কাছে ভিশনেভ শহরে একটি অস্ত্রভান্ডারে প্রাণঘাতী হামলার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো শিক্ষা নেয়নি। আবাসিক এলাকার কাছাকাছি থেকে নিরাপত্তা মানদণ্ড না মেনে এ ধরনের গুদাম পরিচালনা করা এবং একই ভুল বারবার করাকে তিনি ফৌজদারি অবহেলা বলে উল্লেখ করেছেন।
পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দায়ীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দূরপাল্লার পাল্টাপাল্টি হামলা মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে, যার ফলে সামরিক ও বেসামরিক উভয় পর্যায়েই হতাহতের ঘটনা লাগাতার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন