নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর মানবিক সহায়তা হিসেবে আরও ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (২৯ আগস্ট) দেশটির স্টেট ডিপার্টমেন্ট এই তথ্য জানায়। এর আগে বৃহস্পতিবার প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ ডলারের জরুরি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ওয়াশিংটন।
স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র নেপালের জনগণের পাশে রয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার পরিবারের জন্য তিন মাসের জরুরি খাদ্য সহায়তাসহ ৩৬ লাখ ডলারের বেশি জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নেপাল ও চীনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো দুর্যোগ ত্রাণ প্রচেষ্টায় এবং সেখানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সহায়তায় নিবিড়ভাবে কাজ করছে। গত ২৬ আগস্ট থেকে নেপালে শুরু হওয়া আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে উদ্ধার অভিযান ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ চলছে।
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্গত এলাকায় দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জীবন রক্ষাকারী ওষুধের পাশাপাশি খাবার ও নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।
/

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর মানবিক সহায়তা হিসেবে আরও ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (২৯ আগস্ট) দেশটির স্টেট ডিপার্টমেন্ট এই তথ্য জানায়। এর আগে বৃহস্পতিবার প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ ডলারের জরুরি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ওয়াশিংটন।
স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র নেপালের জনগণের পাশে রয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার পরিবারের জন্য তিন মাসের জরুরি খাদ্য সহায়তাসহ ৩৬ লাখ ডলারের বেশি জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নেপাল ও চীনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো দুর্যোগ ত্রাণ প্রচেষ্টায় এবং সেখানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সহায়তায় নিবিড়ভাবে কাজ করছে। গত ২৬ আগস্ট থেকে নেপালে শুরু হওয়া আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে উদ্ধার অভিযান ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ চলছে।
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্গত এলাকায় দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জীবন রক্ষাকারী ওষুধের পাশাপাশি খাবার ও নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।
/

আপনার মতামত লিখুন