নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণ হারানো যেসব ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, দাফন বা সৎকারের আগে তাদের ডিএনএ (DNA) নমুনা সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। ভবিষ্যতে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। শনিবার (২৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, এখন পর্যন্ত বন্যাদুর্গত বিভিন্ন এলাকা থেকে ৬৭৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে যেসব মরদেহের পরিচয় তদের পরিবার নিশ্চিত করেছে, সেগুলো স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে পরিচয়হীন মরদেহের ক্ষেত্রে ডিএনএ নমুনা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সরকার সংরক্ষণ করবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি এমন মরদেহগুলো সরকারের ব্যবস্থাপনায় রাখা হবে। ডিএনএ ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমেই কেবল পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে পরবর্তীতে পরিবারগুলো তাঁদের প্রিয়জনকে শনাক্ত করতে পারে।’ এই বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্যও তিনি জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।
নেপাল সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির রসুয়া, ধাদিং, নুয়াকোট, চিতওয়ান, তানাহুন, গোর্খা, পূর্ব নাওয়ালপরাসি এবং পশ্চিম নাওয়ালপরাসি জেলা থেকে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো বর্তমানে ‘অশনাক্ত ও দাবিহীন মরদেহ ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা-২০২৬’ অনুযায়ী এয়ারটাইট ব্যাগে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
গত ২৬ আগস্ট রসুয়ার ভটেকোশি নদীতে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যায় রসুয়া, নুয়াকোট এবং ধাদিং করিডোরজুড়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামো। দুর্যোগের পরপরই কেন্দ্রীয়, প্রাদেশিক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান, চিকিৎসা সেবা এবং ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শাহ আরও বলেন, ‘বিপন্ন প্রতিটি নাগরিকের জীবন রক্ষা করাই এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সরকার জনগণের পাশে থাকবে।’
সূত্র: দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট
\

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণ হারানো যেসব ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, দাফন বা সৎকারের আগে তাদের ডিএনএ (DNA) নমুনা সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। ভবিষ্যতে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। শনিবার (২৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, এখন পর্যন্ত বন্যাদুর্গত বিভিন্ন এলাকা থেকে ৬৭৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে যেসব মরদেহের পরিচয় তদের পরিবার নিশ্চিত করেছে, সেগুলো স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে পরিচয়হীন মরদেহের ক্ষেত্রে ডিএনএ নমুনা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সরকার সংরক্ষণ করবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি এমন মরদেহগুলো সরকারের ব্যবস্থাপনায় রাখা হবে। ডিএনএ ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমেই কেবল পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে পরবর্তীতে পরিবারগুলো তাঁদের প্রিয়জনকে শনাক্ত করতে পারে।’ এই বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্যও তিনি জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।
নেপাল সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির রসুয়া, ধাদিং, নুয়াকোট, চিতওয়ান, তানাহুন, গোর্খা, পূর্ব নাওয়ালপরাসি এবং পশ্চিম নাওয়ালপরাসি জেলা থেকে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো বর্তমানে ‘অশনাক্ত ও দাবিহীন মরদেহ ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা-২০২৬’ অনুযায়ী এয়ারটাইট ব্যাগে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
গত ২৬ আগস্ট রসুয়ার ভটেকোশি নদীতে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যায় রসুয়া, নুয়াকোট এবং ধাদিং করিডোরজুড়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামো। দুর্যোগের পরপরই কেন্দ্রীয়, প্রাদেশিক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান, চিকিৎসা সেবা এবং ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শাহ আরও বলেন, ‘বিপন্ন প্রতিটি নাগরিকের জীবন রক্ষা করাই এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সরকার জনগণের পাশে থাকবে।’
সূত্র: দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট
\

আপনার মতামত লিখুন