শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসকদের মোমবাতির আলোয় রোগীর চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। হাসপাতালে বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা থাকার কথা। সেখানে জেনারেটর আছে। সমস্যা হচ্ছে, জ্বালানি তেলের বরাদ্দ না থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর চালু করা যায় না। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
কেবল শ্রীমঙ্গলেই যে এমন সমস্যা হচ্ছে তা নয়। দেশের অনেক হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ বা প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে তা জরুরি সময়ে কাজে আসে না। এতে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে।
তীব্র গরমের মধ্যেও বিদ্যুৎ না থাকলে রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত বিকল্প ব্যবস্থা নেই। বহির্বিভাগ ও ওয়ার্ডের বারান্দায় চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য ন্যূনতম ফ্যানের ব্যবস্থাও করা হয়নি। অসুস্থ মানুষকে দীর্ঘ সময় গরম ও অস্বস্তিকর পরিবেশে থাকতে হলে তাদের শারীরিক কষ্ট বাড়ে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
হাসপাতালের দুটি আইপিএসের ব্যাটারি চুরির ঘটনাও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। জানা গেছে, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। শুধু তদন্ত কমিটি গঠন করাই যথেষ্ট নয়, সুষ্ঠু তদন্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। রাষ্ট্রের সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
চিকিৎসক যতই আন্তরিক হোন, পর্যাপ্ত আলো ছাড়া ক্ষত সেলাই করা বা অন্য কোনো সূক্ষ্ম চিকিৎসা-প্রক্রিয়া নিরাপদে সম্পন্ন করা কঠিন। তাই চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর বিকল্প ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। জেনারেটর চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির ব্যবস্থা করতে হবে। আইপিএসগুলো কার্যকর করতে হবে।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসকদের মোমবাতির আলোয় রোগীর চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। হাসপাতালে বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা থাকার কথা। সেখানে জেনারেটর আছে। সমস্যা হচ্ছে, জ্বালানি তেলের বরাদ্দ না থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর চালু করা যায় না। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
কেবল শ্রীমঙ্গলেই যে এমন সমস্যা হচ্ছে তা নয়। দেশের অনেক হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ বা প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে তা জরুরি সময়ে কাজে আসে না। এতে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে।
তীব্র গরমের মধ্যেও বিদ্যুৎ না থাকলে রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত বিকল্প ব্যবস্থা নেই। বহির্বিভাগ ও ওয়ার্ডের বারান্দায় চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য ন্যূনতম ফ্যানের ব্যবস্থাও করা হয়নি। অসুস্থ মানুষকে দীর্ঘ সময় গরম ও অস্বস্তিকর পরিবেশে থাকতে হলে তাদের শারীরিক কষ্ট বাড়ে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
হাসপাতালের দুটি আইপিএসের ব্যাটারি চুরির ঘটনাও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। জানা গেছে, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। শুধু তদন্ত কমিটি গঠন করাই যথেষ্ট নয়, সুষ্ঠু তদন্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। রাষ্ট্রের সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
চিকিৎসক যতই আন্তরিক হোন, পর্যাপ্ত আলো ছাড়া ক্ষত সেলাই করা বা অন্য কোনো সূক্ষ্ম চিকিৎসা-প্রক্রিয়া নিরাপদে সম্পন্ন করা কঠিন। তাই চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর বিকল্প ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। জেনারেটর চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির ব্যবস্থা করতে হবে। আইপিএসগুলো কার্যকর করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন