সংবাদ

চাঁদাবাজির অভিযোগ আমলে নিন


প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ এএম

চাঁদাবাজির অভিযোগ আমলে নিন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৭৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় একটি পোশাক কারখানার প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকার প্রভাব শুধু মালিকের আর্থিক ক্ষতিতে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও জীবিকাও জড়িত। বিদেশি ক্রেতাদের কার্যাদেশ বাতিল হলে দেশের রপ্তানি আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ব্যাংকঋণ পরিশোধে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনিতেই ব্যবসা পরিচালনায় নানা বাধা রয়েছে। তার ওপর চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতির অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের আস্থা দুর্বল করে। শিল্পের স্বাভাবিক পরিবেশ রক্ষায় এসব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।

কারখানার জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা নিষ্পত্তির আইনগত পথ রয়েছে। কোনো পক্ষই জোর করে রাস্তা বন্ধ করে অন্য পক্ষের ব্যবসা অচল করে দিতে পারে না। এ ঘটনায় মালিক ফতুল্লা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলো দ্রুত তদন্ত করা। রাস্তার মালিকানা ও এর ব্যবহারের আইনি দিক যাচাই করে ব্যবস্থা নিতে হবে। চাঁদা দাবি, হামলা, হুমকি এবং চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগেরও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। কারখানা ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

দেশে চাঁদা দাবির অভিযোগ এই একটিই নয়। এমন অনেক অভিযোগই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তবে চাঁদাবাজির অনেক ঘটনাই রয়ে যায় লোকচক্ষুর আড়ালে। সরকারকে শক্ত হাতে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। সরকার চাঁদাবাজি বন্ধ করার অঙ্গীকার করেছে। আমরা এই অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন দেখতে চাই। চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬


চাঁদাবাজির অভিযোগ আমলে নিন

প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৭৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় একটি পোশাক কারখানার প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকার প্রভাব শুধু মালিকের আর্থিক ক্ষতিতে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও জীবিকাও জড়িত। বিদেশি ক্রেতাদের কার্যাদেশ বাতিল হলে দেশের রপ্তানি আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ব্যাংকঋণ পরিশোধে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনিতেই ব্যবসা পরিচালনায় নানা বাধা রয়েছে। তার ওপর চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতির অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের আস্থা দুর্বল করে। শিল্পের স্বাভাবিক পরিবেশ রক্ষায় এসব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।

কারখানার জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা নিষ্পত্তির আইনগত পথ রয়েছে। কোনো পক্ষই জোর করে রাস্তা বন্ধ করে অন্য পক্ষের ব্যবসা অচল করে দিতে পারে না। এ ঘটনায় মালিক ফতুল্লা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন এবং আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলো দ্রুত তদন্ত করা। রাস্তার মালিকানা ও এর ব্যবহারের আইনি দিক যাচাই করে ব্যবস্থা নিতে হবে। চাঁদা দাবি, হামলা, হুমকি এবং চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগেরও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। কারখানা ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

দেশে চাঁদা দাবির অভিযোগ এই একটিই নয়। এমন অনেক অভিযোগই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তবে চাঁদাবাজির অনেক ঘটনাই রয়ে যায় লোকচক্ষুর আড়ালে। সরকারকে শক্ত হাতে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। সরকার চাঁদাবাজি বন্ধ করার অঙ্গীকার করেছে। আমরা এই অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন দেখতে চাই। চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা জরুরি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত