টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চান্দশী গ্রামে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও রাস্তাঘাট ও বসতবাড়িতে জমে আছে পানি। এ কারণে শত শত পরিবারকে প্রতিদিন নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, অপরিকল্পিত নালা ও পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জলাবদ্ধতার কারণে শিশুদের বিদ্যালয়ে যাওয়া ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকেরা সময়মতো জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেন না। ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন কাজেও সমস্যা হচ্ছে। কোথাও চলাচলের জন্য ভরসা নৌকা, কোথাও বাঁশের সাঁকো। অনেককে পচা পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মশার উপদ্রব। জমে থাকা পানি থেকে ডেঙ্গু ও চর্মরোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।
দীর্ঘদিন ধরে আবাদি জমি পানির নিচে থাকায় কৃষকেরা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগ ব্যাহত হওয়ায় তাদের শিক্ষাজীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চান্দশীর বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক এলাকাটি পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
শুধু আশ্বাস দিলে হবে না, দৃশ্যমান উদ্যোগ নিতে হবে। জমে থাকা পানি সরানোর ব্যবস্থা করতে হবে। পানির স্বাভাবিক প্রবাহ চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নালা নির্মাণ, বিদ্যমান নালা পরিষ্কার এবং পানি নিষ্কাশনের পথ সচল করতে হবে।
চান্দশীর জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পরিকল্পনা নিতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। নিয়মিত নালা পরিষ্কার ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে শুধু সাময়িকভাবে পানি সরালেই চলবে না। সমস্যার টেকসই সমাধান করতে হবে।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চান্দশী গ্রামে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও রাস্তাঘাট ও বসতবাড়িতে জমে আছে পানি। এ কারণে শত শত পরিবারকে প্রতিদিন নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, অপরিকল্পিত নালা ও পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জলাবদ্ধতার কারণে শিশুদের বিদ্যালয়ে যাওয়া ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকেরা সময়মতো জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেন না। ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন কাজেও সমস্যা হচ্ছে। কোথাও চলাচলের জন্য ভরসা নৌকা, কোথাও বাঁশের সাঁকো। অনেককে পচা পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মশার উপদ্রব। জমে থাকা পানি থেকে ডেঙ্গু ও চর্মরোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।
দীর্ঘদিন ধরে আবাদি জমি পানির নিচে থাকায় কৃষকেরা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগ ব্যাহত হওয়ায় তাদের শিক্ষাজীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চান্দশীর বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক এলাকাটি পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
শুধু আশ্বাস দিলে হবে না, দৃশ্যমান উদ্যোগ নিতে হবে। জমে থাকা পানি সরানোর ব্যবস্থা করতে হবে। পানির স্বাভাবিক প্রবাহ চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নালা নির্মাণ, বিদ্যমান নালা পরিষ্কার এবং পানি নিষ্কাশনের পথ সচল করতে হবে।
চান্দশীর জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পরিকল্পনা নিতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। নিয়মিত নালা পরিষ্কার ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে শুধু সাময়িকভাবে পানি সরালেই চলবে না। সমস্যার টেকসই সমাধান করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন