অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগে মেহেরপুরে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন কাঁচাবাজার, মুদি, মাছ ও মাংস ব্যবসায়ীরা। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকে জেলা শহরের বড় বাজারের সব দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতা ও প্রান্তিক কৃষকরা। ব্যবসায়ীদের দাবি, সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই ধর্মঘট চলবে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারের ইজারাদার প্রতিটি পণ্যের ওপর সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে ১০ থেকে ২০ গুণ বেশি খাজনা আদায় করছেন। এ নিয়ে জেলা প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সমাধান মেলেনি।
তহবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাফিজুর রহমান বলেন, ‘খাজনার এই নৈরাজ্য নিয়ে আমরা সংবাদ সম্মেলন করেছি, কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। কিন্তু কেউ সমাধান দেননি। তারা প্রতিটি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত টাকা নিতে চায়। এর প্রতিবাদেই আমরা বাজার বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছি।’
মেহেরপুরের এই বাজার থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাক সবজি রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। বড় এই পাইকারি বাজারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলার কৃষকরা। মাঠ থেকে তোলা টাটকা সবজি নিয়ে বাজারে এসে তারা কোনো ক্রেতা পাচ্ছেন না। পচনশীল পণ্য নিয়ে এমন অনিশ্চয়তায় বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন তারা।
বাজারের ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, প্রতিদিন এই বাজারে অন্তত ৭ থেকে ৮ কোটি টাকার কেনাবেচা হয়। ধর্মঘটের কারণে এই বিশাল অংকের লেনদেন থমকে গেছে।
অবশ্য অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাজারের ইজারাদার সাদাত হোসেন বুড়ো। তার দাবি, ‘আমরা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে এক টাকাও বেশি নিচ্ছি না। বরং কয়েক দফায় আমরা খাজনার হার কমিয়েছি।’
দুপক্ষের এই অনড় অবস্থানে বাজারের অচলাবস্থা কাটছে না। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না মিললে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগে মেহেরপুরে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন কাঁচাবাজার, মুদি, মাছ ও মাংস ব্যবসায়ীরা। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকে জেলা শহরের বড় বাজারের সব দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতা ও প্রান্তিক কৃষকরা। ব্যবসায়ীদের দাবি, সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই ধর্মঘট চলবে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারের ইজারাদার প্রতিটি পণ্যের ওপর সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে ১০ থেকে ২০ গুণ বেশি খাজনা আদায় করছেন। এ নিয়ে জেলা প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সমাধান মেলেনি।
তহবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাফিজুর রহমান বলেন, ‘খাজনার এই নৈরাজ্য নিয়ে আমরা সংবাদ সম্মেলন করেছি, কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। কিন্তু কেউ সমাধান দেননি। তারা প্রতিটি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত টাকা নিতে চায়। এর প্রতিবাদেই আমরা বাজার বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছি।’
মেহেরপুরের এই বাজার থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাক সবজি রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। বড় এই পাইকারি বাজারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলার কৃষকরা। মাঠ থেকে তোলা টাটকা সবজি নিয়ে বাজারে এসে তারা কোনো ক্রেতা পাচ্ছেন না। পচনশীল পণ্য নিয়ে এমন অনিশ্চয়তায় বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন তারা।
বাজারের ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, প্রতিদিন এই বাজারে অন্তত ৭ থেকে ৮ কোটি টাকার কেনাবেচা হয়। ধর্মঘটের কারণে এই বিশাল অংকের লেনদেন থমকে গেছে।
অবশ্য অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাজারের ইজারাদার সাদাত হোসেন বুড়ো। তার দাবি, ‘আমরা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে এক টাকাও বেশি নিচ্ছি না। বরং কয়েক দফায় আমরা খাজনার হার কমিয়েছি।’
দুপক্ষের এই অনড় অবস্থানে বাজারের অচলাবস্থা কাটছে না। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না মিললে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন