সংবাদ

স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন


প্রতিনিধি, সখিপুর (টাঙ্গাইল)
প্রতিনিধি, সখিপুর (টাঙ্গাইল)
প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম

স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
ছবি : সংবাদ

টাঙ্গাইলের সখিপুরে স্ত্রী কাকলী আক্তারকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে স্বামী মো. মেহেদী হাসানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের সিনিয়র দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, মেহেদী হাসান অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। এ নিয়ে স্ত্রী কাকলী আক্তারের সঙ্গে তার প্রায়ই পারিবারিক কলহ চলত। কলহের জেরে ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট সখিপুরের একটি ভাড়া বাসায় কাকলীর পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন মেহেদী। গুরুতর আহত অবস্থায় কাকলীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে সখিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে ঘাতক স্বামী মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

রাষ্ট্রপক্ষ এই মামলায় ১৩ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করে। চাঞ্চল্যকর এই মামলায় নিহত কাকলীর ১৫ বছর বয়সী মেয়ে মেরী আক্তার আদালতে দাঁড়িয়ে তার বাবার হাতে মাকে হত্যার ঘটনার প্রত্যক্ষ বর্ণনা দেয়। তার সাক্ষ্য রায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আজ মেহেদী হাসানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের সখিপুরে স্ত্রী কাকলী আক্তারকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে স্বামী মো. মেহেদী হাসানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের সিনিয়র দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, মেহেদী হাসান অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। এ নিয়ে স্ত্রী কাকলী আক্তারের সঙ্গে তার প্রায়ই পারিবারিক কলহ চলত। কলহের জেরে ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট সখিপুরের একটি ভাড়া বাসায় কাকলীর পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন মেহেদী। গুরুতর আহত অবস্থায় কাকলীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে সখিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে ঘাতক স্বামী মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

রাষ্ট্রপক্ষ এই মামলায় ১৩ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করে। চাঞ্চল্যকর এই মামলায় নিহত কাকলীর ১৫ বছর বয়সী মেয়ে মেরী আক্তার আদালতে দাঁড়িয়ে তার বাবার হাতে মাকে হত্যার ঘটনার প্রত্যক্ষ বর্ণনা দেয়। তার সাক্ষ্য রায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আজ মেহেদী হাসানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত