লেস্টার সিটির সঙ্গে দীর্ঘ ২১ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। স্থায়ী চুক্তিতে নতুন ক্লাবে ফেরার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই মাঠে নেমেছেন তিনি। আর অভিষেকেই দলের ৩-২ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ে বড় অবদান রেখেছেন এই ফুটবলার।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ব্রামল লেনে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে বোল্টন ওয়ান্ডারার্সের মুখোমুখি হয়েছিল শেফিল্ড। ম্যাচের আগের দিনই লেস্টার থেকে স্থায়ীভাবে নাম লেখানো হামজাকে এদিন মূল একাদশে রাখেন কোচ। সাধারণত রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে পরিচিত হলেও এদিন তাকে খেলতে দেখা গেছে ‘রাইট ব্যাক’ পজিশনে।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য শেফিল্ডের জন্য ছিল হতাশার। খেলা শুরুর মাত্র ২৪ সেকেন্ডে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে তারা। তবে চার মিনিটের মাথায় জ্যাফেট টাঙ্গাঙ্গার গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকেরা। প্রথমার্ধ ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর ৬৭ মিনিটে আবারো গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে শেফিল্ড। এক মিনিট পরেই প্যাট্রিক ব্যামফোর্ডের গোলে আবারো ২-২ সমতা ফেরায় তারা।
নাটকীয়তার তখনও বাকি ছিল। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যখন ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক ৯৩ মিনিটে ডোনোভানের জয়সূচক গোলে উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো গ্যালারি।
পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকা হামজা চৌধুরীর পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। রক্ষণে চারটি ট্যাকল করে চারটিতেই সফল হয়েছেন তিনি। এছাড়া মাঝমাঠে সতীর্থদের সঙ্গে সংযোগ রক্ষায় দারুণ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। ম্যাচে মোট ৫০টি পাসের মধ্যে ৪৫টিই ছিল সফল, যার হার প্রায় ৯০ শতাংশ।
হামজা এর আগে ২০২৫ সালেও ধারে শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলেছিলেন। এবার স্থায়ী চুক্তিতে ফিরে প্রথম ম্যাচেই দলকে পয়েন্ট টেবিলের ১৪ নম্বর থেকে ১০ নম্বরে তুলে আনতে ভূমিকা রাখলেন তিনি। অন্যদিকে বোল্টনের জন্য এটি ছিল টানা দ্বিতীয় হার।
\

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লেস্টার সিটির সঙ্গে দীর্ঘ ২১ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। স্থায়ী চুক্তিতে নতুন ক্লাবে ফেরার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই মাঠে নেমেছেন তিনি। আর অভিষেকেই দলের ৩-২ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ে বড় অবদান রেখেছেন এই ফুটবলার।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ব্রামল লেনে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে বোল্টন ওয়ান্ডারার্সের মুখোমুখি হয়েছিল শেফিল্ড। ম্যাচের আগের দিনই লেস্টার থেকে স্থায়ীভাবে নাম লেখানো হামজাকে এদিন মূল একাদশে রাখেন কোচ। সাধারণত রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে পরিচিত হলেও এদিন তাকে খেলতে দেখা গেছে ‘রাইট ব্যাক’ পজিশনে।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য শেফিল্ডের জন্য ছিল হতাশার। খেলা শুরুর মাত্র ২৪ সেকেন্ডে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে তারা। তবে চার মিনিটের মাথায় জ্যাফেট টাঙ্গাঙ্গার গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকেরা। প্রথমার্ধ ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর ৬৭ মিনিটে আবারো গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে শেফিল্ড। এক মিনিট পরেই প্যাট্রিক ব্যামফোর্ডের গোলে আবারো ২-২ সমতা ফেরায় তারা।
নাটকীয়তার তখনও বাকি ছিল। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যখন ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক ৯৩ মিনিটে ডোনোভানের জয়সূচক গোলে উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো গ্যালারি।
পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকা হামজা চৌধুরীর পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। রক্ষণে চারটি ট্যাকল করে চারটিতেই সফল হয়েছেন তিনি। এছাড়া মাঝমাঠে সতীর্থদের সঙ্গে সংযোগ রক্ষায় দারুণ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। ম্যাচে মোট ৫০টি পাসের মধ্যে ৪৫টিই ছিল সফল, যার হার প্রায় ৯০ শতাংশ।
হামজা এর আগে ২০২৫ সালেও ধারে শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলেছিলেন। এবার স্থায়ী চুক্তিতে ফিরে প্রথম ম্যাচেই দলকে পয়েন্ট টেবিলের ১৪ নম্বর থেকে ১০ নম্বরে তুলে আনতে ভূমিকা রাখলেন তিনি। অন্যদিকে বোল্টনের জন্য এটি ছিল টানা দ্বিতীয় হার।
\

আপনার মতামত লিখুন