সংবাদ

আইকিউ কি সময়ের সঙ্গে বদলে যেতে পারে?


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

আইকিউ কি সময়ের সঙ্গে বদলে যেতে পারে?

এক দশক আগে যে বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা ছিল, এখনো কি ঠিক একই রকম আছে? নিয়মিত পড়াশোনা, নতুন কিছু শেখা, জটিল সমস্যার সমাধান কিংবা পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মতো বিষয়গুলো কি মানুষের বুদ্ধিমত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে?

একসময় বিজ্ঞানীদের মধ্যে ধারণা ছিল, মানুষের বুদ্ধিমত্তার বড় একটি অংশ জন্মগত এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে আইকিউতে খুব বেশি পরিবর্তন আসে না। তবে পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন গবেষণা এই ধারণাকে অনেকটাই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। এসব গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা পুরোপুরি স্থির নয়; বয়স, শিক্ষা, পরিবেশ ও প্রশিক্ষণের মতো বিষয় এর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে শৈশব ও কৈশোরে মস্তিষ্কের বিকাশের সময় বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতার পরিবর্তন তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হতে পারে। তবে এর অর্থ এমন নয় যে নিয়মিত ধাঁধা সমাধান বা কয়েকটি মস্তিষ্কের ব্যায়াম করলেই নির্দিষ্ট সংখ্যক আইকিউ বেড়ে যাবে। বিষয়টি নির্ভর করে আরও অনেক কিছুর ওপর।

সৃজনশীল চিন্তার প্রশিক্ষণের প্রভাব

বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা পরিবর্তনশীল হতে পারে-এমন ধারণার পক্ষে আলোচিত একটি গবেষণা করেছিলেন যুগোস্লাভিয়ার শিক্ষাবিদ ও মনোবিজ্ঞানী রাডিভয় কভাশচেভ।

১৯৭০-এর দশকে সার্বিয়ার একটি ছোট শহরের দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তিনি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা পরিচালনা করেন। এতে শিক্ষার্থীদের দুটি দলে ভাগ করা হয়। পরীক্ষামূলক দলে ছিলেন ১৪৯ জন এবং নিয়ন্ত্রণ দলে ১৪৭ জন শিক্ষার্থী।

পরীক্ষামূলক দলের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে অন্তত একবার বিশেষ ধরনের সৃজনশীল সমস্যা সমাধানের ক্লাসে অংশ নিতে হতো। কভাশচেভ নিজেই এসব ক্লাস পরিচালনাকারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন।

প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনো সমস্যার একটি নির্দিষ্ট সমাধান খোঁজার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের নতুন ও বিকল্প উপায়ে চিন্তা করতে উৎসাহিত করা ছিল এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য। এমন সমস্যাও দেওয়া হতো, যার একাধিক গ্রহণযোগ্য সমাধান থাকতে পারে। একটি সমস্যা থেকে যত বেশি সম্ভব ভিন্ন সমাধান বের করার চেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চিন্তার পরিধি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হতো। মনোবিজ্ঞানে এই ধরনের চিন্তাপদ্ধতিকে বলা হয় ‘ডাইভারজেন্ট থিংকিং’ বা বহুমুখী চিন্তা।

একই সমস্যার একাধিক সমাধান

গবেষণায় শিক্ষার্থীদের এমন কিছু ধাঁধা বা সমস্যা দেওয়া হতো, যেখানে প্রচলিত যুক্তির বাইরে গিয়ে ভাবতে হতো। একটি সমস্যায় বলা হয়েছিল, এক অভিযাত্রীকে গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। তার মুখ খোলা এবং মাত্র পাঁচ সেন্টিমিটার দূরে একটি রুটির টুকরো ঝুলিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে, সেটি খেতে পারলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

কীভাবে সে রুটিটি খেতে পারে-এমন প্রশ্নের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট উত্তর বের করাই মূল উদ্দেশ্য ছিল না। বরং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে ভাবতে বলা হতো। অর্থাৎ, প্রচলিত চিন্তার বাইরে গিয়ে একটি সমস্যার সম্ভাব্য একাধিক সমাধান খোঁজাই ছিল প্রশিক্ষণের মূল বিষয়।

কয়েক বছর পর বদলে যায় ফল

গবেষণার শুরুতে শিক্ষার্থীদের বয়স ছিল প্রায় ১৫ বছর। সে সময় নেওয়া আইকিউ পরীক্ষায় নিয়ন্ত্রণ দলের শিক্ষার্থীরা কিছুটা এগিয়ে ছিল। তিন বছর পর, ১৮ বছর বয়সে আবার পরীক্ষা নেওয়া হলে ফলাফলে পরিবর্তন দেখা যায়।

পরীক্ষামূলক দলের শিক্ষার্থীরা তখন আগের তুলনায় ভালো ফল করে। ১৯ বছর বয়সে চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সৃজনশীল চিন্তার প্রশিক্ষণ পাওয়া শিক্ষার্থীদের আইকিউ নিয়ন্ত্রণ দলের তুলনায় গড়ে প্রায় ১০ পয়েন্ট বেশি বেড়েছে। কিছু নির্দিষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক পরীক্ষায় এই ব্যবধান ১৫ পয়েন্ট পর্যন্ত ছিল।

পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালে ‘জার্নাল অব ইন্টেলিজেন্স’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় মনোবিজ্ঞানী লাজার স্ট্যানকভ ও জিহিউন লি কভাশচেভের সেই গবেষণার তথ্য নতুন করে বিশ্লেষণ করেন। এতে দীর্ঘমেয়াদি সৃজনশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশিক্ষণের সঙ্গে চিন্তার সক্ষমতার পরিবর্তনের সম্পর্ক নিয়ে আবারও আলোচনা সামনে আসে।

কৈশোরেও পরিবর্তন হতে পারে আইকিউ

শুধু প্রশিক্ষণ নয়, কৈশোরে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশও বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষক ক্যাথি প্রাইস ও তাঁর সহকর্মীরা ২০১১ সালে ‘নেচার’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় এ বিষয়টি পরীক্ষা করেন।

গবেষণায় ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সী ৩৩ জন সুস্থ কিশোর-কিশোরী অংশ নেয়। তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা ও মস্তিষ্কের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে গবেষকেরা বোঝার চেষ্টা করেন, কৈশোরের সময় আইকিউয়ের মাত্রা স্থির থাকে কি না, নাকি বয়স ও মস্তিষ্কের বিকাশের সঙ্গে এতে পরিবর্তন আসতে পারে।

এ ধরনের গবেষণা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়-আইকিউকে মানুষের বুদ্ধিমত্তার সম্পূর্ণ ও অপরিবর্তনীয় মাপকাঠি হিসেবে দেখা ঠিক নয়। শেখার সুযোগ, পরিবেশ, প্রশিক্ষণ ও মস্তিষ্কের বিকাশসহ বিভিন্ন কারণ মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে আইকিউ বাড়ানোর কোনো সহজ বা নিশ্চিত কৌশল নেই। নিয়মিত শেখা, নতুন ধরনের সমস্যা নিয়ে চিন্তা করা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে সহায়ক হতে পারে; কিন্তু এগুলোর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সংখ্যক আইকিউ পয়েন্ট বাড়বে-এমন নিশ্চয়তা দেওয়ার সুযোগ নেই।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আইকিউ কি সময়ের সঙ্গে বদলে যেতে পারে?

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

এক দশক আগে যে বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা ছিল, এখনো কি ঠিক একই রকম আছে? নিয়মিত পড়াশোনা, নতুন কিছু শেখা, জটিল সমস্যার সমাধান কিংবা পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মতো বিষয়গুলো কি মানুষের বুদ্ধিমত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে?

একসময় বিজ্ঞানীদের মধ্যে ধারণা ছিল, মানুষের বুদ্ধিমত্তার বড় একটি অংশ জন্মগত এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে আইকিউতে খুব বেশি পরিবর্তন আসে না। তবে পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন গবেষণা এই ধারণাকে অনেকটাই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। এসব গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা পুরোপুরি স্থির নয়; বয়স, শিক্ষা, পরিবেশ ও প্রশিক্ষণের মতো বিষয় এর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে শৈশব ও কৈশোরে মস্তিষ্কের বিকাশের সময় বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতার পরিবর্তন তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হতে পারে। তবে এর অর্থ এমন নয় যে নিয়মিত ধাঁধা সমাধান বা কয়েকটি মস্তিষ্কের ব্যায়াম করলেই নির্দিষ্ট সংখ্যক আইকিউ বেড়ে যাবে। বিষয়টি নির্ভর করে আরও অনেক কিছুর ওপর।

সৃজনশীল চিন্তার প্রশিক্ষণের প্রভাব

বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা পরিবর্তনশীল হতে পারে-এমন ধারণার পক্ষে আলোচিত একটি গবেষণা করেছিলেন যুগোস্লাভিয়ার শিক্ষাবিদ ও মনোবিজ্ঞানী রাডিভয় কভাশচেভ।

১৯৭০-এর দশকে সার্বিয়ার একটি ছোট শহরের দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তিনি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা পরিচালনা করেন। এতে শিক্ষার্থীদের দুটি দলে ভাগ করা হয়। পরীক্ষামূলক দলে ছিলেন ১৪৯ জন এবং নিয়ন্ত্রণ দলে ১৪৭ জন শিক্ষার্থী।

পরীক্ষামূলক দলের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে অন্তত একবার বিশেষ ধরনের সৃজনশীল সমস্যা সমাধানের ক্লাসে অংশ নিতে হতো। কভাশচেভ নিজেই এসব ক্লাস পরিচালনাকারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন।

প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনো সমস্যার একটি নির্দিষ্ট সমাধান খোঁজার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের নতুন ও বিকল্প উপায়ে চিন্তা করতে উৎসাহিত করা ছিল এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য। এমন সমস্যাও দেওয়া হতো, যার একাধিক গ্রহণযোগ্য সমাধান থাকতে পারে। একটি সমস্যা থেকে যত বেশি সম্ভব ভিন্ন সমাধান বের করার চেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চিন্তার পরিধি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হতো। মনোবিজ্ঞানে এই ধরনের চিন্তাপদ্ধতিকে বলা হয় ‘ডাইভারজেন্ট থিংকিং’ বা বহুমুখী চিন্তা।

একই সমস্যার একাধিক সমাধান

গবেষণায় শিক্ষার্থীদের এমন কিছু ধাঁধা বা সমস্যা দেওয়া হতো, যেখানে প্রচলিত যুক্তির বাইরে গিয়ে ভাবতে হতো। একটি সমস্যায় বলা হয়েছিল, এক অভিযাত্রীকে গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। তার মুখ খোলা এবং মাত্র পাঁচ সেন্টিমিটার দূরে একটি রুটির টুকরো ঝুলিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে, সেটি খেতে পারলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

কীভাবে সে রুটিটি খেতে পারে-এমন প্রশ্নের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট উত্তর বের করাই মূল উদ্দেশ্য ছিল না। বরং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে ভাবতে বলা হতো। অর্থাৎ, প্রচলিত চিন্তার বাইরে গিয়ে একটি সমস্যার সম্ভাব্য একাধিক সমাধান খোঁজাই ছিল প্রশিক্ষণের মূল বিষয়।

কয়েক বছর পর বদলে যায় ফল

গবেষণার শুরুতে শিক্ষার্থীদের বয়স ছিল প্রায় ১৫ বছর। সে সময় নেওয়া আইকিউ পরীক্ষায় নিয়ন্ত্রণ দলের শিক্ষার্থীরা কিছুটা এগিয়ে ছিল। তিন বছর পর, ১৮ বছর বয়সে আবার পরীক্ষা নেওয়া হলে ফলাফলে পরিবর্তন দেখা যায়।

পরীক্ষামূলক দলের শিক্ষার্থীরা তখন আগের তুলনায় ভালো ফল করে। ১৯ বছর বয়সে চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সৃজনশীল চিন্তার প্রশিক্ষণ পাওয়া শিক্ষার্থীদের আইকিউ নিয়ন্ত্রণ দলের তুলনায় গড়ে প্রায় ১০ পয়েন্ট বেশি বেড়েছে। কিছু নির্দিষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক পরীক্ষায় এই ব্যবধান ১৫ পয়েন্ট পর্যন্ত ছিল।

পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালে ‘জার্নাল অব ইন্টেলিজেন্স’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় মনোবিজ্ঞানী লাজার স্ট্যানকভ ও জিহিউন লি কভাশচেভের সেই গবেষণার তথ্য নতুন করে বিশ্লেষণ করেন। এতে দীর্ঘমেয়াদি সৃজনশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশিক্ষণের সঙ্গে চিন্তার সক্ষমতার পরিবর্তনের সম্পর্ক নিয়ে আবারও আলোচনা সামনে আসে।

কৈশোরেও পরিবর্তন হতে পারে আইকিউ

শুধু প্রশিক্ষণ নয়, কৈশোরে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশও বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষক ক্যাথি প্রাইস ও তাঁর সহকর্মীরা ২০১১ সালে ‘নেচার’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় এ বিষয়টি পরীক্ষা করেন।

গবেষণায় ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সী ৩৩ জন সুস্থ কিশোর-কিশোরী অংশ নেয়। তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা ও মস্তিষ্কের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে গবেষকেরা বোঝার চেষ্টা করেন, কৈশোরের সময় আইকিউয়ের মাত্রা স্থির থাকে কি না, নাকি বয়স ও মস্তিষ্কের বিকাশের সঙ্গে এতে পরিবর্তন আসতে পারে।

এ ধরনের গবেষণা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়-আইকিউকে মানুষের বুদ্ধিমত্তার সম্পূর্ণ ও অপরিবর্তনীয় মাপকাঠি হিসেবে দেখা ঠিক নয়। শেখার সুযোগ, পরিবেশ, প্রশিক্ষণ ও মস্তিষ্কের বিকাশসহ বিভিন্ন কারণ মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে আইকিউ বাড়ানোর কোনো সহজ বা নিশ্চিত কৌশল নেই। নিয়মিত শেখা, নতুন ধরনের সমস্যা নিয়ে চিন্তা করা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে সহায়ক হতে পারে; কিন্তু এগুলোর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সংখ্যক আইকিউ পয়েন্ট বাড়বে-এমন নিশ্চয়তা দেওয়ার সুযোগ নেই।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত