রংপুরের বদরগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর গোলাম রব্বানী (৩৭) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাওচন্ডি এলাকার একটি আমবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত গোলাম রব্বানী উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের পাইকারপাড়া গ্রামের হাসান আলীর ছেলে। তিনি রংপুর নগরের ধাপ এলাকায় একটি বেসরকারি ক্যাডেট মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গোলাম রব্বানী চাকরির কারণে রংপুর শহরেই থাকতেন। প্রতি সপ্তাহে ছুটির দিনে তিনি বাড়িতে আসতেন। তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে তারাগঞ্জ উপজেলার একটি কারখানায় কাজ করার সুবাদে সেখানেই থাকেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাদ্রাসা থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলেও তিনি আর ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খুঁজেও তার সন্ধান পায়নি।
রোববার সন্ধ্যায় দক্ষিণ বাওচন্ডি এলাকার ফেসকিপাড়ার একটি আমবাগানে রব্বানীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। মরদেহের চেহারা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় শুরুতে পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় নিশ্চিত করে। উদ্ধারের সময় তার পরনে ছিল নীল রঙের ফতুয়া ও কালো প্যান্ট।
বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার সোমবার দুপুরে জানান, রোববার রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, 'এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
মাদ্রাসার সাধারণ এক কর্মচারীর এমন রহস্যজনক মৃত্যুতে তার পরিবার ও নিজ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরের বদরগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর গোলাম রব্বানী (৩৭) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাওচন্ডি এলাকার একটি আমবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত গোলাম রব্বানী উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের পাইকারপাড়া গ্রামের হাসান আলীর ছেলে। তিনি রংপুর নগরের ধাপ এলাকায় একটি বেসরকারি ক্যাডেট মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গোলাম রব্বানী চাকরির কারণে রংপুর শহরেই থাকতেন। প্রতি সপ্তাহে ছুটির দিনে তিনি বাড়িতে আসতেন। তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে তারাগঞ্জ উপজেলার একটি কারখানায় কাজ করার সুবাদে সেখানেই থাকেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাদ্রাসা থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলেও তিনি আর ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খুঁজেও তার সন্ধান পায়নি।
রোববার সন্ধ্যায় দক্ষিণ বাওচন্ডি এলাকার ফেসকিপাড়ার একটি আমবাগানে রব্বানীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। মরদেহের চেহারা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় শুরুতে পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় নিশ্চিত করে। উদ্ধারের সময় তার পরনে ছিল নীল রঙের ফতুয়া ও কালো প্যান্ট।
বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার সোমবার দুপুরে জানান, রোববার রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, 'এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
মাদ্রাসার সাধারণ এক কর্মচারীর এমন রহস্যজনক মৃত্যুতে তার পরিবার ও নিজ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন