নতুন আইফোন কেনার কথা ভাবছেন? তাহলে এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হতে পারে। কারণ অ্যাপলের পরবর্তী প্রো মডেল আইফোন ১৮ প্রো উন্মোচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের বিশেষ অনুষ্ঠানে নতুন আইফোনের ঘোষণা আসতে পারে। ফলে এই মুহূর্তে আইফোন ১৭ প্রো কেনা ভালো হবে, নাকি নতুন মডেলের জন্য অপেক্ষা করা উচিত-এটাই সম্ভাব্য ক্রেতাদের বড় প্রশ্ন।
অ্যাপলের অনুষ্ঠানে আইফোন ১৮ প্রো ও ১৮ প্রো ম্যাক্সের ওপর বিশেষ নজর থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন ফোনের দাম, ফিচার ও আপগ্রেড সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য তখনই পাওয়া যাবে। তবে বিভিন্ন রিপোর্ট ও লিক থেকে এরই মধ্যে সম্ভাব্য কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে।
ডিজাইনে বড় পরিবর্তন নাও আসতে পারে
আইফোন ১৮ প্রো-এর নকশায় খুব বড় পরিবর্তন নাও দেখা যেতে পারে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন মডেলের আকার ও ক্যামেরার বিন্যাস আইফোন ১৭ প্রো-এর সঙ্গে অনেকটাই মিল থাকতে পারে।
তাই শুধু নতুন নকশা বা চেহারার পরিবর্তনের জন্য আপগ্রেড করতে চাইলে আইফোন ১৮ প্রো খুব বড় পার্থক্য তৈরি নাও করতে পারে। তবে ফোনের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
নতুন চিপে বাড়তে পারে কর্মক্ষমতা
নতুন মডেলের অন্যতম বড় পরিবর্তন হতে পারে এ২০ প্রো চিপ। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, চিপটি ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে আগের তুলনায় প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহারে দক্ষতাও উন্নত হতে পারে।
ক্যামেরায় আসতে পারে নতুন প্রযুক্তি
ক্যামেরার ক্ষেত্রেও আপগ্রেডের গুঞ্জন রয়েছে। বিশেষ করে ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্যামেরায় প্রবেশ করা আলোর পরিমাণ আরও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতে পারে। ফলে বিভিন্ন আলো-পরিস্থিতিতে ছবি ও ভিডিওর মান উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া ব্যাটারি, কানেক্টিভিটি, ডিসপ্লে এবং অ্যাপলের এআই-নির্ভর বিভিন্ন সুবিধাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এসব তথ্যের বেশিরভাগই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
তাহলে কোনটি কেনা ভালো?
যাদের এখনই নতুন ফোন প্রয়োজন এবং ভালো দামে আইফোন ১৭ প্রো পাওয়া যাচ্ছে, তাদের জন্য পুরোনো মডেলটিও এখনো শক্তিশালী বিকল্প। এ১৯ প্রো চিপ, ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রো ফিউশন ক্যামেরা এবং প্রোমোশন ডিসপ্লের মতো সুবিধা থাকায় এটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট সক্ষম।
অন্যদিকে, যারা সর্বশেষ প্রযুক্তি, নতুন চিপ ও সম্ভাব্য ক্যামেরা উন্নতিকে বেশি গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য অন্তত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত। নতুন মডেলের দাম ও ফিচার প্রকাশের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।
আরেকটি সুবিধা হলো, আইফোন ১৮ প্রো পছন্দ না হলে তখনও আইফোন ১৭ প্রো কেনার সুযোগ থাকবে। নতুন মডেল বাজারে আসার পর পুরোনো মডেলটির দাম কমার সম্ভাবনাও রয়েছে।
সব মিলিয়ে, এই মুহূর্তে জরুরি প্রয়োজন না থাকলে আইফোন ১৭ প্রো কেনার জন্য একদিন অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত। নতুন মডেলের চূড়ান্ত তথ্য জানার পরই বোঝা যাবে-আইফোন ১৮ প্রোতে আপগ্রেড করা কতটা যৌক্তিক, নাকি কম দামে আইফোন ১৭ প্রো নেওয়াই হবে বেশি লাভজনক।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নতুন আইফোন কেনার কথা ভাবছেন? তাহলে এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হতে পারে। কারণ অ্যাপলের পরবর্তী প্রো মডেল আইফোন ১৮ প্রো উন্মোচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের বিশেষ অনুষ্ঠানে নতুন আইফোনের ঘোষণা আসতে পারে। ফলে এই মুহূর্তে আইফোন ১৭ প্রো কেনা ভালো হবে, নাকি নতুন মডেলের জন্য অপেক্ষা করা উচিত-এটাই সম্ভাব্য ক্রেতাদের বড় প্রশ্ন।
অ্যাপলের অনুষ্ঠানে আইফোন ১৮ প্রো ও ১৮ প্রো ম্যাক্সের ওপর বিশেষ নজর থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন ফোনের দাম, ফিচার ও আপগ্রেড সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য তখনই পাওয়া যাবে। তবে বিভিন্ন রিপোর্ট ও লিক থেকে এরই মধ্যে সম্ভাব্য কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে।
ডিজাইনে বড় পরিবর্তন নাও আসতে পারে
আইফোন ১৮ প্রো-এর নকশায় খুব বড় পরিবর্তন নাও দেখা যেতে পারে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন মডেলের আকার ও ক্যামেরার বিন্যাস আইফোন ১৭ প্রো-এর সঙ্গে অনেকটাই মিল থাকতে পারে।
তাই শুধু নতুন নকশা বা চেহারার পরিবর্তনের জন্য আপগ্রেড করতে চাইলে আইফোন ১৮ প্রো খুব বড় পার্থক্য তৈরি নাও করতে পারে। তবে ফোনের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
নতুন চিপে বাড়তে পারে কর্মক্ষমতা
নতুন মডেলের অন্যতম বড় পরিবর্তন হতে পারে এ২০ প্রো চিপ। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, চিপটি ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে আগের তুলনায় প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহারে দক্ষতাও উন্নত হতে পারে।
ক্যামেরায় আসতে পারে নতুন প্রযুক্তি
ক্যামেরার ক্ষেত্রেও আপগ্রেডের গুঞ্জন রয়েছে। বিশেষ করে ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্যামেরায় প্রবেশ করা আলোর পরিমাণ আরও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতে পারে। ফলে বিভিন্ন আলো-পরিস্থিতিতে ছবি ও ভিডিওর মান উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া ব্যাটারি, কানেক্টিভিটি, ডিসপ্লে এবং অ্যাপলের এআই-নির্ভর বিভিন্ন সুবিধাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এসব তথ্যের বেশিরভাগই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
তাহলে কোনটি কেনা ভালো?
যাদের এখনই নতুন ফোন প্রয়োজন এবং ভালো দামে আইফোন ১৭ প্রো পাওয়া যাচ্ছে, তাদের জন্য পুরোনো মডেলটিও এখনো শক্তিশালী বিকল্প। এ১৯ প্রো চিপ, ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রো ফিউশন ক্যামেরা এবং প্রোমোশন ডিসপ্লের মতো সুবিধা থাকায় এটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট সক্ষম।
অন্যদিকে, যারা সর্বশেষ প্রযুক্তি, নতুন চিপ ও সম্ভাব্য ক্যামেরা উন্নতিকে বেশি গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য অন্তত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত। নতুন মডেলের দাম ও ফিচার প্রকাশের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।
আরেকটি সুবিধা হলো, আইফোন ১৮ প্রো পছন্দ না হলে তখনও আইফোন ১৭ প্রো কেনার সুযোগ থাকবে। নতুন মডেল বাজারে আসার পর পুরোনো মডেলটির দাম কমার সম্ভাবনাও রয়েছে।
সব মিলিয়ে, এই মুহূর্তে জরুরি প্রয়োজন না থাকলে আইফোন ১৭ প্রো কেনার জন্য একদিন অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত। নতুন মডেলের চূড়ান্ত তথ্য জানার পরই বোঝা যাবে-আইফোন ১৮ প্রোতে আপগ্রেড করা কতটা যৌক্তিক, নাকি কম দামে আইফোন ১৭ প্রো নেওয়াই হবে বেশি লাভজনক।

আপনার মতামত লিখুন