বরিশাল সড়ক বিভাগের সাব ডিভিশন-২ এর দুই উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অফিসে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সাইটের অজুহাত দেখিয়ে তারা নিয়মিত অফিস ফাঁকি দিচ্ছেন। আর তাদের অনুপস্থিতিতে অফিসের দায়িত্ব পালন করছেন সিকিউরিটি গার্ড।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে বরিশাল সড়ক বিভাগের সাব ডিভিশন-২ এর অফিসে গিয়ে দেখা যায়, উপসহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের কক্ষের বৈদ্যুতিক ফ্যান ও লাইট জ্বলছে। কিন্তু তিনি অফিসে নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নজরুল ইসলাম সপ্তাহে মাত্র একদিন অফিসে আসেন। বাকি সময় বিভিন্ন প্রকল্প সাইটের অজুহাত দেখিয়ে তিনি রীতিমত অফিস ফাঁকি দিচ্ছেন।
একই অবস্থা আরেক উপসহকারী প্রকৌশলী আসিফ খানের। তাকেও অফিসে পাওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে কাজের সাইটে না গিয়ে বিল দেওয়ার নামে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, দুই উপসহকারী প্রকৌশলী কেউই অফিসে না থাকলেও তাদের পরিবর্তে সিকিউরিটি গার্ডকেই অফিস সামলাতে দেখা গেছে। এতে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ও ঠিকাদাররা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
বিষয়ে ভুক্তভোগী দুই উপসহকারী প্রকৌশলী যোগাযোগ করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি বিদায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে বরিশাল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সরকারি অফিস চলাকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীদের অনুপস্থিতি এবং সিকিউরিটি গার্ড দিয়ে অফিস পরিচালনার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরিশাল সড়ক বিভাগের সাব ডিভিশন-২ এর দুই উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অফিসে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সাইটের অজুহাত দেখিয়ে তারা নিয়মিত অফিস ফাঁকি দিচ্ছেন। আর তাদের অনুপস্থিতিতে অফিসের দায়িত্ব পালন করছেন সিকিউরিটি গার্ড।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে বরিশাল সড়ক বিভাগের সাব ডিভিশন-২ এর অফিসে গিয়ে দেখা যায়, উপসহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের কক্ষের বৈদ্যুতিক ফ্যান ও লাইট জ্বলছে। কিন্তু তিনি অফিসে নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নজরুল ইসলাম সপ্তাহে মাত্র একদিন অফিসে আসেন। বাকি সময় বিভিন্ন প্রকল্প সাইটের অজুহাত দেখিয়ে তিনি রীতিমত অফিস ফাঁকি দিচ্ছেন।
একই অবস্থা আরেক উপসহকারী প্রকৌশলী আসিফ খানের। তাকেও অফিসে পাওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে কাজের সাইটে না গিয়ে বিল দেওয়ার নামে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, দুই উপসহকারী প্রকৌশলী কেউই অফিসে না থাকলেও তাদের পরিবর্তে সিকিউরিটি গার্ডকেই অফিস সামলাতে দেখা গেছে। এতে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ও ঠিকাদাররা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
বিষয়ে ভুক্তভোগী দুই উপসহকারী প্রকৌশলী যোগাযোগ করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি বিদায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে বরিশাল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সরকারি অফিস চলাকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীদের অনুপস্থিতি এবং সিকিউরিটি গার্ড দিয়ে অফিস পরিচালনার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন