সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিকভাবে মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) অতিরিক্ত নম্বর বণ্টন এবং রাজনৈতিক সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
কর্মসূচিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের একমাত্র মানদণ্ড হওয়া উচিত মেধা। মৌখিক পরীক্ষায় ৩০ থেকে ৪০ নম্বর রেখে ভাইভার নামে প্রশ্ন ফাঁস ও দলীয় সুপারিশের পথ সুগম করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা কোটামুক্ত, স্বজনপ্রীতিহীন এবং স্বচ্ছ মেধাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থার জোর দাবি জানান।
মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা ৩ দফা দাবি তুলে ধরেন:
১. সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০-এ নামিয়ে আনা।
২. নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক সুপারিশ ও স্বজনপ্রীতি সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. নিয়োগ পরীক্ষার সব ধাপের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, দাবিগুলোর পক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তারা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দফতরে স্মারকলিপি প্রদান করবেন।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিকভাবে মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) অতিরিক্ত নম্বর বণ্টন এবং রাজনৈতিক সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
কর্মসূচিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের একমাত্র মানদণ্ড হওয়া উচিত মেধা। মৌখিক পরীক্ষায় ৩০ থেকে ৪০ নম্বর রেখে ভাইভার নামে প্রশ্ন ফাঁস ও দলীয় সুপারিশের পথ সুগম করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা কোটামুক্ত, স্বজনপ্রীতিহীন এবং স্বচ্ছ মেধাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থার জোর দাবি জানান।
মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা ৩ দফা দাবি তুলে ধরেন:
১. সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০-এ নামিয়ে আনা।
২. নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক সুপারিশ ও স্বজনপ্রীতি সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. নিয়োগ পরীক্ষার সব ধাপের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, দাবিগুলোর পক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তারা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দফতরে স্মারকলিপি প্রদান করবেন।

আপনার মতামত লিখুন