বরগুনার তালতলী উপজেলায় আন্ধারমানিক নদীর তীরে ভেসে এসেছে ৪০ ফুট লম্বা মৃত তিমি। খবর পেয়ে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড সদস্যরা সেটিকে উদ্ধার করে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার খেয়াঘাট সংলগ্ন আন্ধারমানিক নদী থেকে মৃত তিমিটি উদ্ধার করা হয়।
বন বিভাগ তালতলী রেঞ্জ কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, বিশাল আকৃতির তিমিটি পচে যাওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পরিবেশ দূষণ এড়াতে এটিকে মাটিচাপা দেওয়া হবে।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় বঙ্গোপসাগর থেকে জোয়ারের স্রোতে মৃত তিমিটি ভেসে এসে আন্ধারমানিক নদীর তীরে আটকে পড়ে।
সকালে জেলেরা সেটিকে প্রথম দেখতে পায়। এ খবর ছড়িয়ে গেলে তিমি দেখতে নদীতীরে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। পরে বন বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তিমিটিকে উদ্ধার করে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিমিটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০ ফুট, প্রস্থ প্রায় ১৫ ফুট এবং ওজন ৫-৬ টন হতে পারে।
রেঞ্জ কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে ৪০ ফুট মৃত তিমিটিকে নদীর পাড়ে মাটিচাপা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ সরকার বলেন, ‘মৃত তিমিটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। তবে কালো রঙের বিশাল আকৃতির তিমিটি কোন প্রজাতির, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’
বন বিভাগ জানিয়েছে, তিমিটির নমুনা সংগ্রহ করে প্রজাতি শনাক্তের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হবে।
বন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, তিমিটি কীভাবে মারা গেছে, তা এখনো জানা যায়নি। নমুনা পরীক্ষা ছাড়া এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
সমুদ্রের বিশাল এই প্রাণীটির মৃত্যু সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, শব্দদূষণ ও প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে তিমির মৃত্যু বাড়ছে। এ ধরনের ঘটনা সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যের জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।
মৃত তিমিটি উদ্ধার ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা বন বিভাগ বলছে, নমুনা পরীক্ষার পরই জানা যাবে এটি কোন প্রজাতির এবং মৃত্যুর কারণ কী।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরগুনার তালতলী উপজেলায় আন্ধারমানিক নদীর তীরে ভেসে এসেছে ৪০ ফুট লম্বা মৃত তিমি। খবর পেয়ে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড সদস্যরা সেটিকে উদ্ধার করে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার খেয়াঘাট সংলগ্ন আন্ধারমানিক নদী থেকে মৃত তিমিটি উদ্ধার করা হয়।
বন বিভাগ তালতলী রেঞ্জ কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, বিশাল আকৃতির তিমিটি পচে যাওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পরিবেশ দূষণ এড়াতে এটিকে মাটিচাপা দেওয়া হবে।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় বঙ্গোপসাগর থেকে জোয়ারের স্রোতে মৃত তিমিটি ভেসে এসে আন্ধারমানিক নদীর তীরে আটকে পড়ে।
সকালে জেলেরা সেটিকে প্রথম দেখতে পায়। এ খবর ছড়িয়ে গেলে তিমি দেখতে নদীতীরে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। পরে বন বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তিমিটিকে উদ্ধার করে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিমিটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০ ফুট, প্রস্থ প্রায় ১৫ ফুট এবং ওজন ৫-৬ টন হতে পারে।
রেঞ্জ কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে ৪০ ফুট মৃত তিমিটিকে নদীর পাড়ে মাটিচাপা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ সরকার বলেন, ‘মৃত তিমিটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। তবে কালো রঙের বিশাল আকৃতির তিমিটি কোন প্রজাতির, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’
বন বিভাগ জানিয়েছে, তিমিটির নমুনা সংগ্রহ করে প্রজাতি শনাক্তের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হবে।
বন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, তিমিটি কীভাবে মারা গেছে, তা এখনো জানা যায়নি। নমুনা পরীক্ষা ছাড়া এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
সমুদ্রের বিশাল এই প্রাণীটির মৃত্যু সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, শব্দদূষণ ও প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে তিমির মৃত্যু বাড়ছে। এ ধরনের ঘটনা সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যের জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।
মৃত তিমিটি উদ্ধার ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা বন বিভাগ বলছে, নমুনা পরীক্ষার পরই জানা যাবে এটি কোন প্রজাতির এবং মৃত্যুর কারণ কী।

আপনার মতামত লিখুন