নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুরে মালিক সমিতির সঙ্গে বিরোধের জেরে তিন দফা দাবিতে ধর্মঘট ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন কার-মাইক্রো চালক ও শ্রমিকেরা। গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির কারণে টানা তিন দিন ধরে কার ও মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
চালকদের দাবির মধ্যে রয়েছে - স্ট্যান্ড থেকে মালিক সমিতির অফিস সরিয়ে নেওয়া, চাকরিচ্যুত চালকদের পুনর্বহাল করা এবং স্ট্যান্ডে এসে মালিক বা ড্রাইভারদের সরাসরি যাত্রীদের ভাড়া ডাকা বন্ধ করা।
কার-মাইক্রো চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সমর জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে। এই কর্মসূচিতে প্রায় ১০০টি যানবাহন এবং ২৫০ জন চালক ও শ্রমিক অংশ নিচ্ছেন।
সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল রানা অভিযোগ করে বলেন, মালিক সমিতির সদস্যরা দাপ্তরিক কাজ চালানের বদলে সরাসরি স্ট্যান্ডে এসে যাত্রী ও ভাড়া ডাকছেন। এতে সাধারণ চালকদের আয়-রোজগারে টান পড়ছে। এ ছাড়া জোরপূর্বক কয়েকজন চালকের চাবি কেড়ে নিয়ে তাদের চাকরিচ্যুত করার অভিযোগও করেন তিনি।
কার-মাইক্রো স্ট্যান্ডের সভাপতি শ্রী ভবন চন্দ্র রায়ও এসব অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, মালিক সমিতির স্ট্যান্ডে অবস্থান নেওয়া এবং যাত্রী ডাকার কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
টানা তিন দিন ধরে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় রোগী সহ সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি স্থায়ী ও সুষ্ঠু সমাধানের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শ্রমিক ও ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুরে মালিক সমিতির সঙ্গে বিরোধের জেরে তিন দফা দাবিতে ধর্মঘট ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন কার-মাইক্রো চালক ও শ্রমিকেরা। গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির কারণে টানা তিন দিন ধরে কার ও মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
চালকদের দাবির মধ্যে রয়েছে - স্ট্যান্ড থেকে মালিক সমিতির অফিস সরিয়ে নেওয়া, চাকরিচ্যুত চালকদের পুনর্বহাল করা এবং স্ট্যান্ডে এসে মালিক বা ড্রাইভারদের সরাসরি যাত্রীদের ভাড়া ডাকা বন্ধ করা।
কার-মাইক্রো চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সমর জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে। এই কর্মসূচিতে প্রায় ১০০টি যানবাহন এবং ২৫০ জন চালক ও শ্রমিক অংশ নিচ্ছেন।
সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল রানা অভিযোগ করে বলেন, মালিক সমিতির সদস্যরা দাপ্তরিক কাজ চালানের বদলে সরাসরি স্ট্যান্ডে এসে যাত্রী ও ভাড়া ডাকছেন। এতে সাধারণ চালকদের আয়-রোজগারে টান পড়ছে। এ ছাড়া জোরপূর্বক কয়েকজন চালকের চাবি কেড়ে নিয়ে তাদের চাকরিচ্যুত করার অভিযোগও করেন তিনি।
কার-মাইক্রো স্ট্যান্ডের সভাপতি শ্রী ভবন চন্দ্র রায়ও এসব অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, মালিক সমিতির স্ট্যান্ডে অবস্থান নেওয়া এবং যাত্রী ডাকার কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
টানা তিন দিন ধরে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় রোগী সহ সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি স্থায়ী ও সুষ্ঠু সমাধানের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শ্রমিক ও ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

আপনার মতামত লিখুন