সংবাদ

সুন্দরবনে 'নানা ভাই' বাহিনীর প্রধানসহ ১২ ডাকাতের আত্মসমর্পণ


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম

সুন্দরবনে 'নানা ভাই' বাহিনীর প্রধানসহ ১২ ডাকাতের আত্মসমর্পণ
ছবি : সংবাদ

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানের মুখে টিকতে না পেরে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করেছেন কুখ্যাত 'নানা ভাই' বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ১২ জন সক্রিয় বনদস্যু।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কোস্ট গার্ড জানায়, সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ শীর্ষক দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানের ধারাবাহিকতায় ৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা থানার ধানসিদ্ধির চর এলাকায় বাহিনীটির প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ১২ সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।

আত্মসমর্পণকালে দস্যুরা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেয়। এর মধ্যে রয়েছে ১টি এইট শুটার, ১টি সিক্স শুটার, ১টি ফোর শুটার, ১টি সাইড হ্যামার, ১টি বোল্ট অ্যাকশন পিস্তল, ২টি এমথ্রি গ্যাস গান, ২টি ৭.৬৫ মিমি পিস্তল, ২টি ওয়ান শুটার, ২টি এয়ারগান, ২১২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৯ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ২০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৫ রাউন্ড তাজা গোলা, ৪১৩ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, ৪টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ২টি এয়ারগানের ম্যাগাজিন এবং ৬টি ওয়াকিটকি।

আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের বাড়ি খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায়। তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি এবং জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধে জড়িত ছিলেন।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, আত্মসমর্পণকারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ হিসেবে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তবে যারা অপরাধ চালিয়ে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সুন্দরবনে 'নানা ভাই' বাহিনীর প্রধানসহ ১২ ডাকাতের আত্মসমর্পণ

প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানের মুখে টিকতে না পেরে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করেছেন কুখ্যাত 'নানা ভাই' বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ১২ জন সক্রিয় বনদস্যু।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কোস্ট গার্ড জানায়, সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ শীর্ষক দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানের ধারাবাহিকতায় ৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা থানার ধানসিদ্ধির চর এলাকায় বাহিনীটির প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ১২ সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।

আত্মসমর্পণকালে দস্যুরা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেয়। এর মধ্যে রয়েছে ১টি এইট শুটার, ১টি সিক্স শুটার, ১টি ফোর শুটার, ১টি সাইড হ্যামার, ১টি বোল্ট অ্যাকশন পিস্তল, ২টি এমথ্রি গ্যাস গান, ২টি ৭.৬৫ মিমি পিস্তল, ২টি ওয়ান শুটার, ২টি এয়ারগান, ২১২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৯ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ২০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৫ রাউন্ড তাজা গোলা, ৪১৩ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, ৪টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ২টি এয়ারগানের ম্যাগাজিন এবং ৬টি ওয়াকিটকি।

আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের বাড়ি খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায়। তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি এবং জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধে জড়িত ছিলেন।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, আত্মসমর্পণকারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ হিসেবে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তবে যারা অপরাধ চালিয়ে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত