দেশীয় মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড সিম্ফনি ১৪ কোটি গ্রাহকের মাইলফলক অর্জন করেছে। ২০০৮ সালে ‘নিউ এক্সপেরিয়েন্স’ স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি ১৬ বছরের পথচলায় দেশের অন্যতম পরিচিত মোবাইল ফোন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে।
সিম্ফনি মোবাইলের যাত্রার সময় দেশের বাজারে নকিয়া, স্যামসাং, সিমেন্স, মটোরোলা, জেডটিই, অ্যালকাটেল ও সনি এরিকসনের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন চীনা ফোন পাওয়া যেত। তখন তুলনামূলক বেশি দামের কারণে মোবাইল ফোন অনেকের নাগালের বাইরে ছিল। সিম্ফনি ১৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে ফিচার ফোন বাজারে এনে এ পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সিম্ফনির হাত ধরে দেশে কিউডব্লিউইআরটিওয়াই (কিউয়ার্টি) কিপ্যাড, টাচ ফোন, পিডিএ ফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়। ২০১২ সালে দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে স্বল্প মূল্যে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বাজারে আনে সিম্ফনি। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিসন গ্রুপের অধীনে বর্তমানে সিম্ফনি মোবাইল পরিচালিত হচ্ছে।
১৪ কোটি গ্রাহকের মাইলফলকের সময় সিম্ফনির ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৮তম গ্রাহক হয়েছেন ফরিদপুরের রুবেল হোসেন। এরপর ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯তম গ্রাহক হন নারায়ণগঞ্জের নাদিয়া আক্তার। আর ১৪ কোটিতম গ্রাহক হয়েছেন ময়মনসিংহের মাফিজা খাতুন।
এডিসন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সিম্ফনি মোবাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ১৪ কোটি গ্রাহকের এই অর্জনের পেছনে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা রয়েছে। ভবিষ্যতেও গ্রাহকের প্রয়োজন ও নতুন প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে সিম্ফনি ও এডিসন গ্রুপ।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), দ্রুতগতির সংযোগসহ নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে গ্রাহকদের জন্য আধুনিক ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তিপণ্য আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ১৪ কোটি গ্রাহকের মাইলফলককে ভবিষ্যৎ পথচলার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশীয় মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড সিম্ফনি ১৪ কোটি গ্রাহকের মাইলফলক অর্জন করেছে। ২০০৮ সালে ‘নিউ এক্সপেরিয়েন্স’ স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি ১৬ বছরের পথচলায় দেশের অন্যতম পরিচিত মোবাইল ফোন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে।
সিম্ফনি মোবাইলের যাত্রার সময় দেশের বাজারে নকিয়া, স্যামসাং, সিমেন্স, মটোরোলা, জেডটিই, অ্যালকাটেল ও সনি এরিকসনের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন চীনা ফোন পাওয়া যেত। তখন তুলনামূলক বেশি দামের কারণে মোবাইল ফোন অনেকের নাগালের বাইরে ছিল। সিম্ফনি ১৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে ফিচার ফোন বাজারে এনে এ পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সিম্ফনির হাত ধরে দেশে কিউডব্লিউইআরটিওয়াই (কিউয়ার্টি) কিপ্যাড, টাচ ফোন, পিডিএ ফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়। ২০১২ সালে দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে স্বল্প মূল্যে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বাজারে আনে সিম্ফনি। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিসন গ্রুপের অধীনে বর্তমানে সিম্ফনি মোবাইল পরিচালিত হচ্ছে।
১৪ কোটি গ্রাহকের মাইলফলকের সময় সিম্ফনির ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৮তম গ্রাহক হয়েছেন ফরিদপুরের রুবেল হোসেন। এরপর ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯তম গ্রাহক হন নারায়ণগঞ্জের নাদিয়া আক্তার। আর ১৪ কোটিতম গ্রাহক হয়েছেন ময়মনসিংহের মাফিজা খাতুন।
এডিসন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সিম্ফনি মোবাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ১৪ কোটি গ্রাহকের এই অর্জনের পেছনে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা রয়েছে। ভবিষ্যতেও গ্রাহকের প্রয়োজন ও নতুন প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে সিম্ফনি ও এডিসন গ্রুপ।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), দ্রুতগতির সংযোগসহ নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে গ্রাহকদের জন্য আধুনিক ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তিপণ্য আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ১৪ কোটি গ্রাহকের মাইলফলককে ভবিষ্যৎ পথচলার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।

আপনার মতামত লিখুন