সংবাদ

রোগীর চেয়ে হাসপাতালেরই বেশি চিকিৎসা প্রয়োজন!


প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ পিএম

রোগীর চেয়ে হাসপাতালেরই বেশি চিকিৎসা প্রয়োজন!
ছবি : সংবাদ

চাঁদপুরের নদীবেষ্টিত ও চরাঞ্চল অধ্যুষিত হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান অবস্থা দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের চেয়ে হাসপাতালটির নিজেরই এখন জরুরি চিকিৎসার বেশি প্রয়োজন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসকের ২৪টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৯ জন। কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ৯৫টি পদের মধ্যে ৫২টিই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। চিকিৎসকদের বসার পর্যাপ্ত কক্ষ না থাকায় একটি ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে রোগী দেখতে হয়। শয্যাসংকটের কারণে অনেক রোগীকে ঠাঁই নিতে হচ্ছে বারান্দায়।

এখানে কোনো এক্স-রে মেশিন বা অপারেশন থিয়েটার (ওটি) নেই। ফলে সাধারণ পরীক্ষা বা জটিল চিকিৎসার জন্য নদী পার হয়ে চাঁদপুর সদরে যেতে হয় রোগীদের। এ ছাড়া বিকল্প জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে চরম ঝুঁকিতে পড়ে জরুরি বিভাগ ও অক্সিজেন সরবরাহ। বর্তমানে চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত আইপিএস দিয়ে জরুরি সেবা চালু রাখা হয়েছে।

এদিকে ৫০ শয্যার নতুন চারতলা ভবনটির নির্মাণকাজ ২০১৯ সালে শুরু হলেও ছয়বার সময় বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ কাজের বেশি শেষ হয়নি। সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল হাসপাতালটি পরিদর্শন করে সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

চরাঞ্চলের এই জনপদের মানুষের চিকিৎসা সুনিশ্চিত করতে নতুন ভবনের কাজ দ্রুত শেষ করা, শূন্য পদে জনবল নিয়োগ, আধুনিক চিকিৎসাসামগ্রী স্থাপন ও একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রোগীর চেয়ে হাসপাতালেরই বেশি চিকিৎসা প্রয়োজন!

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরের নদীবেষ্টিত ও চরাঞ্চল অধ্যুষিত হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান অবস্থা দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের চেয়ে হাসপাতালটির নিজেরই এখন জরুরি চিকিৎসার বেশি প্রয়োজন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসকের ২৪টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৯ জন। কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ৯৫টি পদের মধ্যে ৫২টিই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। চিকিৎসকদের বসার পর্যাপ্ত কক্ষ না থাকায় একটি ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে রোগী দেখতে হয়। শয্যাসংকটের কারণে অনেক রোগীকে ঠাঁই নিতে হচ্ছে বারান্দায়।

এখানে কোনো এক্স-রে মেশিন বা অপারেশন থিয়েটার (ওটি) নেই। ফলে সাধারণ পরীক্ষা বা জটিল চিকিৎসার জন্য নদী পার হয়ে চাঁদপুর সদরে যেতে হয় রোগীদের। এ ছাড়া বিকল্প জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে চরম ঝুঁকিতে পড়ে জরুরি বিভাগ ও অক্সিজেন সরবরাহ। বর্তমানে চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত আইপিএস দিয়ে জরুরি সেবা চালু রাখা হয়েছে।

এদিকে ৫০ শয্যার নতুন চারতলা ভবনটির নির্মাণকাজ ২০১৯ সালে শুরু হলেও ছয়বার সময় বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ কাজের বেশি শেষ হয়নি। সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল হাসপাতালটি পরিদর্শন করে সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

চরাঞ্চলের এই জনপদের মানুষের চিকিৎসা সুনিশ্চিত করতে নতুন ভবনের কাজ দ্রুত শেষ করা, শূন্য পদে জনবল নিয়োগ, আধুনিক চিকিৎসাসামগ্রী স্থাপন ও একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত