স্বামী থেকে নেই, সংসারে নেই কোনো উপার্জনক্ষম মানুষ। দুই মেয়ের মধ্যে এক মেয়ে দুই সন্তানকে নিয়ে মায়ের কাছে ফিরে এসেছেন। ফলে নিজের সঙ্গে মেয়ে ও দুই নাতি-নাতনিকে নিয়ে চার সদস্যের সংসারের একমাত্র ভরসা ৫০ বছর বয়সী লাইলী বেগম। নওগাঁর সাপাহার উপজেলার গাঞ্জাকুড়ি গ্রামের এই নারী বাড়ির উঠানে শাক-সবজি চাষ করে কাঁচাবাজারে বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন।
সাপাহার উপজেলা সদরের কাঁচাবাজারে লাইলী বেগমের বসার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নেই। কখনো ফুটপাতে, কখনো দোকানের কোণে বসেই কচুর মোচাসহ অন্যান্য সবজি বিক্রি করেন। চারজনের খাবারের খরচের পাশাপাশি বন বিভাগের সঙ্গে চলা একাধিক মামলার খরচও তাঁকে বহন করতে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারি কোনো সহযোগিতা পাননি তিনি।
লাইলী বেগম বলেন, ‘আমার সংসারে আয় করার মতো কেউ নেই। উঠানে সবজি চাষ করে বাজারজাত করি, কিন্তু বসার জায়গা পাই না। একটা ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা হলে সংসারটা একটু ভালোভাবে চালাতে পারতাম।’
স্থানীয় অধিবাসীদের মতে, লাইলীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসার ব্যবস্থা কিংবা স্বাবলম্বী করার প্রকল্পে যুক্ত করা প্রয়োজন। সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা রিয়াজ জানিয়েছেন, লাইলী বেগমের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্বামী থেকে নেই, সংসারে নেই কোনো উপার্জনক্ষম মানুষ। দুই মেয়ের মধ্যে এক মেয়ে দুই সন্তানকে নিয়ে মায়ের কাছে ফিরে এসেছেন। ফলে নিজের সঙ্গে মেয়ে ও দুই নাতি-নাতনিকে নিয়ে চার সদস্যের সংসারের একমাত্র ভরসা ৫০ বছর বয়সী লাইলী বেগম। নওগাঁর সাপাহার উপজেলার গাঞ্জাকুড়ি গ্রামের এই নারী বাড়ির উঠানে শাক-সবজি চাষ করে কাঁচাবাজারে বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন।
সাপাহার উপজেলা সদরের কাঁচাবাজারে লাইলী বেগমের বসার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নেই। কখনো ফুটপাতে, কখনো দোকানের কোণে বসেই কচুর মোচাসহ অন্যান্য সবজি বিক্রি করেন। চারজনের খাবারের খরচের পাশাপাশি বন বিভাগের সঙ্গে চলা একাধিক মামলার খরচও তাঁকে বহন করতে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারি কোনো সহযোগিতা পাননি তিনি।
লাইলী বেগম বলেন, ‘আমার সংসারে আয় করার মতো কেউ নেই। উঠানে সবজি চাষ করে বাজারজাত করি, কিন্তু বসার জায়গা পাই না। একটা ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা হলে সংসারটা একটু ভালোভাবে চালাতে পারতাম।’
স্থানীয় অধিবাসীদের মতে, লাইলীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসার ব্যবস্থা কিংবা স্বাবলম্বী করার প্রকল্পে যুক্ত করা প্রয়োজন। সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা রিয়াজ জানিয়েছেন, লাইলী বেগমের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন