দেশের অর্থনৈতিক প্রাণধমনী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে দুর্ঘটনা ও যানজটমুক্ত করতে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। রাজধানীর সাইনবোর্ড থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটারজুড়ে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ক্যামেরা ও ‘অটো ফাইন’ ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে মোট ১ হাজার ৪২৭টি এআই ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে, যা চালকদের গতিসীমা লঙ্ঘন, বেপরোয়া ওভারটেকিং, অবৈধ পার্কিং ও উল্টো পথে গাড়ি চালানো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করবে। আইন ভাঙলে সঙ্গে সঙ্গেই নিবন্ধিত মালিকের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জরিমানার নোটিশ চলে যাচ্ছে, যা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। নতুন এই প্রযুক্তি চালুর প্রথম দিনেই ৪৪৯টি মামলায় সাড়ে ১৫ লাখ টাকার বেশি জরিমানা আদায় হয়েছে।
প্রযুক্তিগত নজরদারির পাশাপাশি সড়কটির অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়াতে নেওয়া হয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ। ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ সামলাতে পুরো মহাসড়কটিকে ১০ লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। পদুয়ার বাজারের মতো চিরচেনা যানজটপ্রবণ পয়েন্টগুলোতে বিদ্যমান ওভারপাস সম্প্রসারণের পাশাপাশি একাধিক আন্ডারপাস নির্মাণের নকশা তৈরি করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুধু সড়ক প্রশস্ত করাই নয়, প্রযুক্তিভিত্তিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটকে একটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক করিডোরে রূপান্তর করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে ২৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পুরো মহাসড়কটিকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নকশা তৈরির কাজ সম্পন্ন করেছে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর (সওজ)। অর্থায়ন নিশ্চিত হলেই মূল প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠাবে সংস্থাটি। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের বাণিজ্য খাতে গতি আসার পাশাপাশি পণ্য ও যাত্রী পরিবহনে সময় বহুলাংশে কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সূত্র: বাসস
/

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের অর্থনৈতিক প্রাণধমনী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে দুর্ঘটনা ও যানজটমুক্ত করতে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। রাজধানীর সাইনবোর্ড থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটারজুড়ে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ক্যামেরা ও ‘অটো ফাইন’ ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে মোট ১ হাজার ৪২৭টি এআই ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে, যা চালকদের গতিসীমা লঙ্ঘন, বেপরোয়া ওভারটেকিং, অবৈধ পার্কিং ও উল্টো পথে গাড়ি চালানো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করবে। আইন ভাঙলে সঙ্গে সঙ্গেই নিবন্ধিত মালিকের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জরিমানার নোটিশ চলে যাচ্ছে, যা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। নতুন এই প্রযুক্তি চালুর প্রথম দিনেই ৪৪৯টি মামলায় সাড়ে ১৫ লাখ টাকার বেশি জরিমানা আদায় হয়েছে।
প্রযুক্তিগত নজরদারির পাশাপাশি সড়কটির অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়াতে নেওয়া হয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ। ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ সামলাতে পুরো মহাসড়কটিকে ১০ লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। পদুয়ার বাজারের মতো চিরচেনা যানজটপ্রবণ পয়েন্টগুলোতে বিদ্যমান ওভারপাস সম্প্রসারণের পাশাপাশি একাধিক আন্ডারপাস নির্মাণের নকশা তৈরি করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুধু সড়ক প্রশস্ত করাই নয়, প্রযুক্তিভিত্তিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটকে একটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক করিডোরে রূপান্তর করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে ২৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পুরো মহাসড়কটিকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নকশা তৈরির কাজ সম্পন্ন করেছে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর (সওজ)। অর্থায়ন নিশ্চিত হলেই মূল প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠাবে সংস্থাটি। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের বাণিজ্য খাতে গতি আসার পাশাপাশি পণ্য ও যাত্রী পরিবহনে সময় বহুলাংশে কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সূত্র: বাসস
/

আপনার মতামত লিখুন