কক্সবাজার সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত ও তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. কামাল হোসেন ওরফে কামালকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তারাবুনিয়াজছড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার কামাল হোসেন টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া এলাকার হোসেন আলী ওরফে পুতিয়া ও তাহেরা বেগম দম্পতির ছেলে।
শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কক্সবাজার পৌরসভার তারাবুনিয়াজছড়া মসজিদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা কামালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, কামালের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কর্ণফুলী থানা, চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ থানা এবং কক্সবাজারের রামু থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। একটি মাদক মামলায় তিন বছরের সাজা হওয়ার পর থেকে সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিল।
গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজার সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত ও তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. কামাল হোসেন ওরফে কামালকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তারাবুনিয়াজছড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার কামাল হোসেন টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া এলাকার হোসেন আলী ওরফে পুতিয়া ও তাহেরা বেগম দম্পতির ছেলে।
শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কক্সবাজার পৌরসভার তারাবুনিয়াজছড়া মসজিদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা কামালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, কামালের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কর্ণফুলী থানা, চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ থানা এবং কক্সবাজারের রামু থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। একটি মাদক মামলায় তিন বছরের সাজা হওয়ার পর থেকে সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিল।
গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

আপনার মতামত লিখুন