সংবাদ

কুষ্টিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়েও মিলছে না সার


জেলা বার্তা পরিবেশক, কুষ্টিয়া
জেলা বার্তা পরিবেশক, কুষ্টিয়া
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ পিএম

কুষ্টিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়েও মিলছে না সার
ছবি : সংবাদ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদামতো সার না পেয়ে বিসিআইসি ডিলার ও কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় হট্টগোলে জড়িয়েছেন ক্ষুব্ধ কৃষকেরা।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলার পয়েন্টে (মেসার্স লেক্সাস ইন্টারন্যাশনাল) এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষুব্ধ কৃষকদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে ডিলার পয়েন্ট না খুলে সকাল ১০টা থেকে ১১টার পর দোকান খোলা হয়। দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করার পরও সারের স্টক শেষ বলে অনেককে ফেরত দেওয়া হয়। তবে সাব-ডিলারদের কাছে বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি দিলেই পর্যাপ্ত সার পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে শতাধিক কৃষক লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও বেলা ১১টা পার হলেও দোকানের শাটার বন্ধ ছিল। পরে বেলা ১১টা ৯ মিনিটের দিকে ডিলার পয়েন্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দোকান খোলেন। ওই সময় উপস্থিত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন ও স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পর্যাপ্ত সার না পেয়ে এবং দেরিতে দোকান খোলায় কয়েক দফায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে পুলিশ এসে তা নিয়ন্ত্রণে আনে।

দহখোলা গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, ‘সকাল ৬টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও বেলা ১২টায় বলা হয় সার নেই। অথচ সরকারি ১৩৫০ টাকার টিএসপি সাব-ডিলাররা ২০০০ টাকায় এবং অন্যান্য সারও চড়া দামে বিক্রি করছে।’

তবে কৃষকদের সব অভিযোগ অস্বীকার করে কুমারখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন জানান, উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই। মূলত লাইনে দাঁড়ানো এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে সাময়িক হট্টগোল হয়েছিল, যা পরে সমাধান করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কুষ্টিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়েও মিলছে না সার

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদামতো সার না পেয়ে বিসিআইসি ডিলার ও কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় হট্টগোলে জড়িয়েছেন ক্ষুব্ধ কৃষকেরা।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলার পয়েন্টে (মেসার্স লেক্সাস ইন্টারন্যাশনাল) এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষুব্ধ কৃষকদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে ডিলার পয়েন্ট না খুলে সকাল ১০টা থেকে ১১টার পর দোকান খোলা হয়। দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করার পরও সারের স্টক শেষ বলে অনেককে ফেরত দেওয়া হয়। তবে সাব-ডিলারদের কাছে বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি দিলেই পর্যাপ্ত সার পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে শতাধিক কৃষক লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও বেলা ১১টা পার হলেও দোকানের শাটার বন্ধ ছিল। পরে বেলা ১১টা ৯ মিনিটের দিকে ডিলার পয়েন্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দোকান খোলেন। ওই সময় উপস্থিত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন ও স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পর্যাপ্ত সার না পেয়ে এবং দেরিতে দোকান খোলায় কয়েক দফায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে পুলিশ এসে তা নিয়ন্ত্রণে আনে।

দহখোলা গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, ‘সকাল ৬টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও বেলা ১২টায় বলা হয় সার নেই। অথচ সরকারি ১৩৫০ টাকার টিএসপি সাব-ডিলাররা ২০০০ টাকায় এবং অন্যান্য সারও চড়া দামে বিক্রি করছে।’

তবে কৃষকদের সব অভিযোগ অস্বীকার করে কুমারখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন জানান, উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই। মূলত লাইনে দাঁড়ানো এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে সাময়িক হট্টগোল হয়েছিল, যা পরে সমাধান করা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত