পূর্ব সুন্দরবনের নারকেলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলারসহ চার বস্তা হরিণ শিকারের মালাফাঁদ জব্দ করেছেন বনরক্ষীরা। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। তবে বনরক্ষীদের উপস্থিত টের পেয়ে ট্রলার থেকে লাফিয়ে সুন্দরবনের ভেতরে পালিয়ে যান শিকারিরা।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় বঙ্গোপসাগরের নারকেলবাড়িয়া এলাকায় একটি সন্দেহভাজন ট্রলার দেখে সেটিকে থামার নির্দেশ দেন তারা। বনরক্ষীদের দেখামাত্রই ট্রলারে থাকা ৬-৭ জন শিকারি ট্রলারটি বনের পাড়ে ভিড়িয়ে সুন্দরবনের গহিনে পালিয়ে যান। এই ফাঁকে সাগরের ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি ডুবতে শুরু করে। পরিস্থিতি বুঝে বনরক্ষীরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে অর্ধডুবন্ত ট্রলারটিকে টেনে শেলারচরে নিয়ে আসেন। পরে ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে চার বস্তা ভর্তি বিপুল পরিমাণ হরিণ শিকারের মালাফাঁদ উদ্ধার করা হয়। তবে ট্রলারটি তলিয়ে যাওয়ায় ককশিটে ভরা বরফসহ শিকারিদের অন্যান্য সরঞ্জাম সাগরে ভেসে যায়।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার ভোরে সুন্দরবনে হরিণ শিকারের একটি বড় অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয়ের শিকারি চক্রটি ককশিট ভর্তি বরফ ও ফাঁদ নিয়ে হরিণ শিকারের উদ্দেশে সাগরপথে নারকেলবাড়িয়া এলাকায় প্রবেশ করেছিল। বনরক্ষীরা ঝুঁকি নিয়ে অর্ধডুবন্ত ট্রলারটি উদ্ধার করেছেন এবং শিকারিদের শনাক্ত করতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পূর্ব সুন্দরবনের নারকেলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলারসহ চার বস্তা হরিণ শিকারের মালাফাঁদ জব্দ করেছেন বনরক্ষীরা। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। তবে বনরক্ষীদের উপস্থিত টের পেয়ে ট্রলার থেকে লাফিয়ে সুন্দরবনের ভেতরে পালিয়ে যান শিকারিরা।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় বঙ্গোপসাগরের নারকেলবাড়িয়া এলাকায় একটি সন্দেহভাজন ট্রলার দেখে সেটিকে থামার নির্দেশ দেন তারা। বনরক্ষীদের দেখামাত্রই ট্রলারে থাকা ৬-৭ জন শিকারি ট্রলারটি বনের পাড়ে ভিড়িয়ে সুন্দরবনের গহিনে পালিয়ে যান। এই ফাঁকে সাগরের ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি ডুবতে শুরু করে। পরিস্থিতি বুঝে বনরক্ষীরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে অর্ধডুবন্ত ট্রলারটিকে টেনে শেলারচরে নিয়ে আসেন। পরে ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে চার বস্তা ভর্তি বিপুল পরিমাণ হরিণ শিকারের মালাফাঁদ উদ্ধার করা হয়। তবে ট্রলারটি তলিয়ে যাওয়ায় ককশিটে ভরা বরফসহ শিকারিদের অন্যান্য সরঞ্জাম সাগরে ভেসে যায়।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার ভোরে সুন্দরবনে হরিণ শিকারের একটি বড় অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয়ের শিকারি চক্রটি ককশিট ভর্তি বরফ ও ফাঁদ নিয়ে হরিণ শিকারের উদ্দেশে সাগরপথে নারকেলবাড়িয়া এলাকায় প্রবেশ করেছিল। বনরক্ষীরা ঝুঁকি নিয়ে অর্ধডুবন্ত ট্রলারটি উদ্ধার করেছেন এবং শিকারিদের শনাক্ত করতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন