সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের মানপুর গ্রামে দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত চলাচলের রাস্তায় বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে আদালতের নির্দেশনা থাকার পরও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে দাবি করছেন অবরুদ্ধ ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাস্তা বন্ধ হওয়ায় কয়েকটি পরিবারের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে এবং স্থানীয় খামারগুলোর মালামাল পরিবহন থমকে গেছে। ভুক্তভোগী শরিফুল ইসলাম সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করলে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, কালীগঞ্জ থানা-পুলিশ বারবার আশ্বাস দিলেও আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করছে না।
প্রতিপক্ষ আমিরুল ইসলাম ও নাজমুল হুদার দাবি, জায়গাটি তাদের পারিবারিক কবরস্থান এবং এ নিয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা চলছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল ফারুক জানান, পথটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ছিল এবং পারিবারিক বিরোধ থেকেই এই সংকটের সৃষ্টি।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে রাজি না হলেও জানান, বিষয়টিকে পুলিশ নজরদারিতে রেখেছে। পুলিশের সিনিয়র সহকারী সুপার মো. বায়েজীদ ইসলাম জানান, তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের মানপুর গ্রামে দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত চলাচলের রাস্তায় বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে আদালতের নির্দেশনা থাকার পরও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে দাবি করছেন অবরুদ্ধ ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাস্তা বন্ধ হওয়ায় কয়েকটি পরিবারের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে এবং স্থানীয় খামারগুলোর মালামাল পরিবহন থমকে গেছে। ভুক্তভোগী শরিফুল ইসলাম সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করলে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, কালীগঞ্জ থানা-পুলিশ বারবার আশ্বাস দিলেও আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করছে না।
প্রতিপক্ষ আমিরুল ইসলাম ও নাজমুল হুদার দাবি, জায়গাটি তাদের পারিবারিক কবরস্থান এবং এ নিয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা চলছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল ফারুক জানান, পথটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ছিল এবং পারিবারিক বিরোধ থেকেই এই সংকটের সৃষ্টি।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে রাজি না হলেও জানান, বিষয়টিকে পুলিশ নজরদারিতে রেখেছে। পুলিশের সিনিয়র সহকারী সুপার মো. বায়েজীদ ইসলাম জানান, তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন