রাজধানীর মহাখালী রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক ডা. কাজী আহমেদ জাকিকে মারধরের ঘটনায় বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলাটি করেছেন ভুক্তভোগী পরিচালক ডা. কাজী আহমেদ জাকি নিজেই। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ডা. জাহিদ হাসানসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে বনানী থানার ওসি ও ইন্সপেক্টর ইনভেস্টিগেশন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা এ মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ ও ঘটনাস্থলের আলামত পর্যালোচনা করে আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশের অন্যান্য ইউনিটও বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে।
সরকারি কাজে বাধা, কর্মস্থলে ফিল্মি স্টাইলে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে মারধরের এ ঘটনায় চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। হামলার ভিডিও প্রকাশের পর অভিযুক্ত ডা. জাহিদ হাসানকে ড্যাব থেকে বহিষ্কার করা হলেও তার অনুসারীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। সেখানে দেশি-বিদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষকরা এখনো আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
আবার কখন জাহিদের অনুসারীরা সরকারি কাজে বাধা দেয় এবং সিনিয়রদের ওপর হামলা চালায়, তা নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে।
এদিকে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি আগামী রোববার থেকে তদন্ত শুরু করতে পারে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিশেষজ্ঞ, ভিডিও ফুটেজ এবং ঘটনার নেপথ্য কাহিনী বের করার চেষ্টা করবে এই কমিটি।
ড্যাবের সভাপতি ডা. হারুন-আল রশিদ বলেন, ‘আমরা অভিযুক্ত ডা. জাহিদ হাসানকে বহিষ্কার করে দিয়েছি। বিষয়টি আমরা খোঁজখবর রাখছি। আর যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, তা নিয়ে ড্যাব তৎপর রয়েছে।’ অভিযোগ রয়েছে, কেউ কেউ গ্রুপিং করে এসব বিষয়ে উসকানি দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
আইইডিসিআরের পরিচালকের ওপর হামলা ছাড়াও বিচ্ছিন্নভাবে অন্যান্য হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিএনপি-সমর্থক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেপরোয়া আচরণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পছন্দ না হলে তাদের নানা অপমান করা হচ্ছে, আবাসিক কোয়ার্টার থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। কেউ বের হতে না চাইলে মারধরও করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে অনুসন্ধান করলে আরও অনেক ঘটনা বেরিয়ে আসবে। সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নিলে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে কাজের গতি বাড়বে। সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপকৃত হবেন এবং দাপুটে কর্মকর্তারা কিছুটা হলেও পিছু হটবেন।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর মহাখালী রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক ডা. কাজী আহমেদ জাকিকে মারধরের ঘটনায় বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলাটি করেছেন ভুক্তভোগী পরিচালক ডা. কাজী আহমেদ জাকি নিজেই। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ডা. জাহিদ হাসানসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে বনানী থানার ওসি ও ইন্সপেক্টর ইনভেস্টিগেশন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা এ মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ ও ঘটনাস্থলের আলামত পর্যালোচনা করে আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশের অন্যান্য ইউনিটও বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে।
সরকারি কাজে বাধা, কর্মস্থলে ফিল্মি স্টাইলে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে মারধরের এ ঘটনায় চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। হামলার ভিডিও প্রকাশের পর অভিযুক্ত ডা. জাহিদ হাসানকে ড্যাব থেকে বহিষ্কার করা হলেও তার অনুসারীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। সেখানে দেশি-বিদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষকরা এখনো আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
আবার কখন জাহিদের অনুসারীরা সরকারি কাজে বাধা দেয় এবং সিনিয়রদের ওপর হামলা চালায়, তা নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে।
এদিকে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি আগামী রোববার থেকে তদন্ত শুরু করতে পারে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিশেষজ্ঞ, ভিডিও ফুটেজ এবং ঘটনার নেপথ্য কাহিনী বের করার চেষ্টা করবে এই কমিটি।
ড্যাবের সভাপতি ডা. হারুন-আল রশিদ বলেন, ‘আমরা অভিযুক্ত ডা. জাহিদ হাসানকে বহিষ্কার করে দিয়েছি। বিষয়টি আমরা খোঁজখবর রাখছি। আর যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, তা নিয়ে ড্যাব তৎপর রয়েছে।’ অভিযোগ রয়েছে, কেউ কেউ গ্রুপিং করে এসব বিষয়ে উসকানি দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
আইইডিসিআরের পরিচালকের ওপর হামলা ছাড়াও বিচ্ছিন্নভাবে অন্যান্য হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিএনপি-সমর্থক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেপরোয়া আচরণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পছন্দ না হলে তাদের নানা অপমান করা হচ্ছে, আবাসিক কোয়ার্টার থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। কেউ বের হতে না চাইলে মারধরও করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে অনুসন্ধান করলে আরও অনেক ঘটনা বেরিয়ে আসবে। সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নিলে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে কাজের গতি বাড়বে। সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপকৃত হবেন এবং দাপুটে কর্মকর্তারা কিছুটা হলেও পিছু হটবেন।

আপনার মতামত লিখুন