সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বয়কট করলো সিলেট বিএনপি


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, সিলেট
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, সিলেট
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম

রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বয়কট করলো সিলেট বিএনপি
সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বয়কট করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। যথাযথ প্রক্রিয়ায় নাগরিক কমিটি গঠন না করে সংবর্ধনা আয়োজন এবং আয়োজকদের স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে এ সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা।

বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের দাবি, সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানটিকে ‘নাগরিক সংবর্ধনা’ বলা হলেও প্রকৃত অর্থে এটি কোনো নাগরিক কমিটির মাধ্যমে আয়োজিত সংবর্ধনা নয়। তাদের ভাষ্য, এটি সিসিকের একটি অনুষ্ঠান এবং আয়োজনটি একক ব্যক্তিকেন্দ্রিক।

নেতারা আরও বলেন, রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানাতে মহানগর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা সিলেটে প্রবেশের পথে বিভিন্ন পয়েন্টে উপস্থিত হয়ে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু সিটি করপোরেশনের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারা অংশ নেননি। 

স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের অনেকেই এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাননি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী এবং জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম।

এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক, সুনামগঞ্জের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং মৌলভীবাজার জেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দও অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাননি বলে দাবি করেছেন স্থানীয় নেতারা।

তাদের অভিযোগ, রাষ্ট্রপতিকে সংবর্ধনা দেওয়ার ক্ষেত্রে বৃহত্তর সিলেটের রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে একটি নাগরিক কমিটি গঠন করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সে ধরনের কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘এটাকে নাগরিক সংবর্ধনা বলা যায় না। এটা সিসিকের সংবর্ধনা। এই প্রোগ্রামটি একক ব্যক্তির প্রোগ্রাম। মহানগরের ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সকল নেতাকর্মী এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে।’

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক দিনের সফরে সিলেটে আসেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওলিকুল শিরোমণি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে তিনি সিলেট সফর করেন।

রাষ্ট্রপতি সিলেটের প্রবেশপথে পৌঁছালে মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা নগরীর সাতটি পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুরে রাষ্ট্রপতি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটায় নগর ভবন প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সম্মানে সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষেরা অংশ নেন।

তবে অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। তাদের দাবি, রাষ্ট্রপতির সফরকে স্বাগত জানানো এবং তাকে সম্মান জানানো নিয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই। আপত্তি মূলত সংবর্ধনা আয়োজনের প্রক্রিয়া নিয়ে।

দুপুরে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বয়কটের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওই অনুষ্ঠানে মহানগর বিএনপির কোনো নেতাকর্মী অংশ নেবেন না।’

মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘যথাযথ প্রক্রিয়ায় নাগরিক কমিটি তৈরি করে সংবর্ধনা আয়োজন না করা ও অনুষ্ঠানের আয়োজকদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে জেলা ও মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো সিটি করপোরেশন আয়োজিত এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে।’

কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে অনেকেই যান নি। আমিও যাই নি।’

বিএনপির নেতারা বলছেন, রাষ্ট্রপতির সিলেট সফরকে দলীয়ভাবে স্বাগত জানানো হয়েছে। সিলেটে প্রবেশের পথে সাতটি পয়েন্টে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি তারই বহিঃপ্রকাশ। তবে নাগরিক সংবর্ধনার নামে সিটি করপোরেশনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

তাদের বক্তব্য, রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান ও শুভেচ্ছা প্রদর্শনের সঙ্গে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রক্রিয়ার বিষয়টি আলাদা। আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত না করায় তারা অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এটি সিলেটে প্রথম সফর। এক দিনের এই সফরে মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি সিলেট সিটি করপোরেশনের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

তবে রাষ্ট্রপতির প্রথম সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে স্বাগত জানানোর পরও বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের একটি বড় অংশের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বয়কট করায় সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

কার্যত জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর প্রতি সকল নেতৃবৃন্দের ক্ষোভ থেকেই স্থানীয় বিএনপি অংশ নেন নি।

রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর বক্তব্য নেওয়া যায় নি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বয়কট করলো সিলেট বিএনপি

প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বয়কট করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। যথাযথ প্রক্রিয়ায় নাগরিক কমিটি গঠন না করে সংবর্ধনা আয়োজন এবং আয়োজকদের স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে এ সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা।

বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের দাবি, সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানটিকে ‘নাগরিক সংবর্ধনা’ বলা হলেও প্রকৃত অর্থে এটি কোনো নাগরিক কমিটির মাধ্যমে আয়োজিত সংবর্ধনা নয়। তাদের ভাষ্য, এটি সিসিকের একটি অনুষ্ঠান এবং আয়োজনটি একক ব্যক্তিকেন্দ্রিক।

নেতারা আরও বলেন, রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানাতে মহানগর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা সিলেটে প্রবেশের পথে বিভিন্ন পয়েন্টে উপস্থিত হয়ে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু সিটি করপোরেশনের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারা অংশ নেননি। 

স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের অনেকেই এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাননি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী এবং জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম।

এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক, সুনামগঞ্জের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং মৌলভীবাজার জেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দও অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাননি বলে দাবি করেছেন স্থানীয় নেতারা।

তাদের অভিযোগ, রাষ্ট্রপতিকে সংবর্ধনা দেওয়ার ক্ষেত্রে বৃহত্তর সিলেটের রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে একটি নাগরিক কমিটি গঠন করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সে ধরনের কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘এটাকে নাগরিক সংবর্ধনা বলা যায় না। এটা সিসিকের সংবর্ধনা। এই প্রোগ্রামটি একক ব্যক্তির প্রোগ্রাম। মহানগরের ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সকল নেতাকর্মী এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে।’

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক দিনের সফরে সিলেটে আসেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওলিকুল শিরোমণি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে তিনি সিলেট সফর করেন।

রাষ্ট্রপতি সিলেটের প্রবেশপথে পৌঁছালে মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা নগরীর সাতটি পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুরে রাষ্ট্রপতি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটায় নগর ভবন প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সম্মানে সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষেরা অংশ নেন।

তবে অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। তাদের দাবি, রাষ্ট্রপতির সফরকে স্বাগত জানানো এবং তাকে সম্মান জানানো নিয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই। আপত্তি মূলত সংবর্ধনা আয়োজনের প্রক্রিয়া নিয়ে।

দুপুরে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বয়কটের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওই অনুষ্ঠানে মহানগর বিএনপির কোনো নেতাকর্মী অংশ নেবেন না।’

মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘যথাযথ প্রক্রিয়ায় নাগরিক কমিটি তৈরি করে সংবর্ধনা আয়োজন না করা ও অনুষ্ঠানের আয়োজকদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে জেলা ও মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো সিটি করপোরেশন আয়োজিত এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে।’

কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে অনেকেই যান নি। আমিও যাই নি।’

বিএনপির নেতারা বলছেন, রাষ্ট্রপতির সিলেট সফরকে দলীয়ভাবে স্বাগত জানানো হয়েছে। সিলেটে প্রবেশের পথে সাতটি পয়েন্টে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি তারই বহিঃপ্রকাশ। তবে নাগরিক সংবর্ধনার নামে সিটি করপোরেশনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

তাদের বক্তব্য, রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান ও শুভেচ্ছা প্রদর্শনের সঙ্গে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রক্রিয়ার বিষয়টি আলাদা। আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত না করায় তারা অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এটি সিলেটে প্রথম সফর। এক দিনের এই সফরে মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি সিলেট সিটি করপোরেশনের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

তবে রাষ্ট্রপতির প্রথম সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে স্বাগত জানানোর পরও বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের একটি বড় অংশের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বয়কট করায় সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

কার্যত জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর প্রতি সকল নেতৃবৃন্দের ক্ষোভ থেকেই স্থানীয় বিএনপি অংশ নেন নি।

রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর বক্তব্য নেওয়া যায় নি।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত