হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে দিনব্যাপী বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াড বা কে-নাইন (K9) ইউনিটের সহায়তায় এই তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়। এপিবিএন আইন ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর থেকে বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা সুসংহত করার অংশ হিসেবে এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে জানা গেছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল চলতি বছরের আগামী ডিসেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করার সময়সূচি নির্ধারিত রয়েছে। নতুন এই টার্মিনাল চালুর বিষয়টি সামনে রেখে এপিবিএন আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর সরঞ্জাম ও কে-নাইন স্কোয়াডের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সার্বক্ষণিক বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিমানবন্দর এলাকায় যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কিংবা অপতৎপরতা রোধে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম গতিশীল রাখা আবশ্যক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ও বহিরাঙ্গনে একইভাবে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় কিছু বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা দূর করতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিশেষ পরিস্থিতি বর্তমানে বিদ্যমান না থাকায় এবং এপিবিএনের কাজের সক্ষমতা পূর্বের চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করতে পারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে দিনব্যাপী বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াড বা কে-নাইন (K9) ইউনিটের সহায়তায় এই তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়। এপিবিএন আইন ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর থেকে বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা সুসংহত করার অংশ হিসেবে এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে জানা গেছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল চলতি বছরের আগামী ডিসেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করার সময়সূচি নির্ধারিত রয়েছে। নতুন এই টার্মিনাল চালুর বিষয়টি সামনে রেখে এপিবিএন আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর সরঞ্জাম ও কে-নাইন স্কোয়াডের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সার্বক্ষণিক বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিমানবন্দর এলাকায় যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কিংবা অপতৎপরতা রোধে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম গতিশীল রাখা আবশ্যক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ও বহিরাঙ্গনে একইভাবে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় কিছু বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা দূর করতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিশেষ পরিস্থিতি বর্তমানে বিদ্যমান না থাকায় এবং এপিবিএনের কাজের সক্ষমতা পূর্বের চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করতে পারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন